বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিঃসন্দেহে মেসি সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়: হ্যারি কেইন

লিওনেল মেসির প্রশংসায় লেখা হয়ে গেছে কত শত, সহস্র, লক্ষ বা কোটি শব্দ। তার পায়ের জাদুতে বিমোহিত হয়ে বলা হয়ে গেছে কত লক্ষ-কোটি বাক্য। তবু প্রতিনিয়ত যেন নতুন করেই নিজেকে চেনাচ্ছেন মেসি। যার জাদুতে নিয়মিতই বুদ হয় ফুটবল বিশ্ব।

শুধু ভক্ত-সমর্থকরাই নয়, মেসির মায়াবী বিভ্রমে বশীভূত হন প্রতিপক্ষ ফুটবলাররাও। বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালেই যেমন, মেসির ইন্দ্রজালে আটকা পড়ে বিদায় নেওয়ার পর হ্যারি কেইন আরও একবার বললেন, আর্জেন্টাইন জাদুকরই সর্বকালের সেরা ফুটবলার।

আটলান্টায় বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুধু গোলটাই করতে পারেননি মেসি। এর বাইরে একজন ফুটবলারের পক্ষে যা কিছু সম্ভব, সবই করেছেন ৩৯ বছর বয়সী তারকা।

শেষ পর্যন্ত তার দুই অ্যাসিস্ট থেকেই গোল করে আর্জেন্টিনার আরেকটি প্রত্যাবর্তনের গল্প রচনা করেছেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ। ম্যাচ শেষে তাই হেরে গেলেও মেসির শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিতে কার্পণ্য করলেন না কেইন।

“বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে যেমনটা হয়, তাদের কাছে যখন ফাইনাল থার্ডে (প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সের কাছাকাছি এলাকা) বল থাকে, তারা যেকোনো মুহূর্তে জাদু দেখাতে পারে।”

“সে (লিওনেল মেসি) আজ আবার সেটাই করেছে। নিঃসন্দেহে  সে সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। আর এর পেছনে যথেষ্ট কারণও রয়েছে।”

অথচ ম্যাচের ৮৪ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। ম্যাড়ম্যাড়ে প্রথমার্ধের পর ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে লিড নেয় তারা। সেখান থেকে ৮৫ মিনিটে সমতা ফেরান এনজো।

পরে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির মাপা ক্রসে চমৎকার হেডে বল জালে জড়িয়ে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করেন লাউতারো।

এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হেরে যাওয়ায় নিজেদের ব্যর্থতার কথাই বললেন কেইন।

“আমি আগেও বলেছি, শেষ ২০ মিনিটে আমরা যে পরিমাণ জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলাম, তা হতাশাজনক। এই সুযোগটা শুধু তাকে নয়, অন্য খেলোয়াড়দেরও ম্যাচে ফিরে আসার এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছিল।”

“যার ফলে তারা বলকে বিপজ্জনক সব জায়গায় পৌঁছে দিতে পেরেছিল। শেষ পর্যন্ত, তাদের থামানো আমাদের জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়েছিল।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

নিঃসন্দেহে মেসি সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়: হ্যারি কেইন

প্রকাশিত সময় : ১১:৪৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
লিওনেল মেসির প্রশংসায় লেখা হয়ে গেছে কত শত, সহস্র, লক্ষ বা কোটি শব্দ। তার পায়ের জাদুতে বিমোহিত হয়ে বলা হয়ে গেছে কত লক্ষ-কোটি বাক্য। তবু প্রতিনিয়ত যেন নতুন করেই নিজেকে চেনাচ্ছেন মেসি। যার জাদুতে নিয়মিতই বুদ হয় ফুটবল বিশ্ব।

শুধু ভক্ত-সমর্থকরাই নয়, মেসির মায়াবী বিভ্রমে বশীভূত হন প্রতিপক্ষ ফুটবলাররাও। বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালেই যেমন, মেসির ইন্দ্রজালে আটকা পড়ে বিদায় নেওয়ার পর হ্যারি কেইন আরও একবার বললেন, আর্জেন্টাইন জাদুকরই সর্বকালের সেরা ফুটবলার।

আটলান্টায় বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুধু গোলটাই করতে পারেননি মেসি। এর বাইরে একজন ফুটবলারের পক্ষে যা কিছু সম্ভব, সবই করেছেন ৩৯ বছর বয়সী তারকা।

শেষ পর্যন্ত তার দুই অ্যাসিস্ট থেকেই গোল করে আর্জেন্টিনার আরেকটি প্রত্যাবর্তনের গল্প রচনা করেছেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ। ম্যাচ শেষে তাই হেরে গেলেও মেসির শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিতে কার্পণ্য করলেন না কেইন।

“বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে যেমনটা হয়, তাদের কাছে যখন ফাইনাল থার্ডে (প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সের কাছাকাছি এলাকা) বল থাকে, তারা যেকোনো মুহূর্তে জাদু দেখাতে পারে।”

“সে (লিওনেল মেসি) আজ আবার সেটাই করেছে। নিঃসন্দেহে  সে সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। আর এর পেছনে যথেষ্ট কারণও রয়েছে।”

অথচ ম্যাচের ৮৪ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। ম্যাড়ম্যাড়ে প্রথমার্ধের পর ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে লিড নেয় তারা। সেখান থেকে ৮৫ মিনিটে সমতা ফেরান এনজো।

পরে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির মাপা ক্রসে চমৎকার হেডে বল জালে জড়িয়ে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করেন লাউতারো।

এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হেরে যাওয়ায় নিজেদের ব্যর্থতার কথাই বললেন কেইন।

“আমি আগেও বলেছি, শেষ ২০ মিনিটে আমরা যে পরিমাণ জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলাম, তা হতাশাজনক। এই সুযোগটা শুধু তাকে নয়, অন্য খেলোয়াড়দেরও ম্যাচে ফিরে আসার এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছিল।”

“যার ফলে তারা বলকে বিপজ্জনক সব জায়গায় পৌঁছে দিতে পেরেছিল। শেষ পর্যন্ত, তাদের থামানো আমাদের জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়েছিল।”