জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কসহ ৮ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। পাশাপাশি জবি ছাত্রদলের আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন অনিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন—জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সবুজ শাহরিয়ার, সদস্য মো. ইসরাফিল ইসলাম রাফিল, মাসুম রেজা, ইয়াসিন সাইফ, ইমরান হোসেন ইমন, মনিরুজ্জামান মনির ও মো. সৌরভুর রহমান সুজন এবং ছাত্রনেতা কাব্য সাহা। কাব্য সাহাকে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সবুজ শাহরিয়ার, সদস্য মো. ইসরাফিল ইসলাম রাফিল, মাসুম রেজা, ইয়াসিন সাইফ, ইমরান হোসেন ইমন, মনিরুজ্জামান মনির, মো. সৌরভুর রহমান সুজনকে সাংগঠনিক পদ এবং ছাত্রনেতা কাব্য সাহাকে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিস্কার করা হলো।
আরেক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দায়িত্বশীল পদে আসীন থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে আপনার বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এই মর্মে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলো।
এর আগে আজ সকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে সদস্য সচিব শামসুল আরেফীন ও যুগ্ম-আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিকের গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বহিষ্কারের বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি ঠিক রাখার জন্য আমরা সবসময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সবসময় নিবেদিতপ্রাণ। ক্যাম্পাস অথবা সংগঠনে বিশৃঙ্খলা করলে সেই যে-ই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল ব্যবস্থা নিয়েছি এবং ভবিষ্যতেও কেও যদি এমন কাজের চেষ্টা করে তাহলেও আমরা ব্যবস্থা নিব।’
এদিকে ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান বলেন, ‘দুই গ্রুপের নাম জানি না, তবে সংঘর্ষ হয়েছিল। আমরা পুলিশ ডেকে নিয়ে এসেছি। এখন মোটামুটি পরিস্থিতি শান্ত। উল্লেখ করার মতো কেউ আহত হয়নি, টুকটাক হয়তো লেগেছে।’

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























