ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা’র বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে পার্সটুডে।
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, অন্যদিকে ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের আল-আকসায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ইসরায়েলি বাহিনীর নিরাপত্তায় বসতি স্থাপনকারীরা সেখানে ‘তালমুদিক’ ধর্মীয় আচার ও প্রার্থনা পালন করেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
আল-আকসায় প্রবেশকারীদের মধ্যে ইসরায়েলি সংসদ (নেসেট) সদস্য মোশে ফেইগলিনও ছিলেন বলে জানিয়েছে ইসলামিক ওয়াক্ফ কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে, বছরের শুরু থেকে সেপ্টেম্বরের শুরু পর্যন্ত প্রায় ৮০০ আল-কুদসবাসীকে আল-আকসা মসজিদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
চলতি সেপ্টেম্বরেও আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বারবার প্রবেশ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের তৎপরতা বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব শেখ আলী আল-ইউসুফ।
তিনি এসব কর্মকাণ্ডকে ‘পরিকল্পিত ও সংগঠিত অপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার দাবি, আল-আকসা মসজিদের ইসলামী পরিচয় পরিবর্তনের লক্ষ্যে এটি দখলদারদের একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পরিকল্পনার অংশ।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 















