বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তীব্র তুষারপাতে বিপর্যস্ত চীন

রেকর্ড পরিমান তুষারপাতে বিপর্যস্ত চীনের উত্তরপূর্বাঞ্চলের জনজীবন। এরইমধ্যে বেশকিছু ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। বিঘ্নিত হচ্ছে যানবাহন ও ট্রেন চলাচল। 

বুধবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় এখন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার পর্যন্ত লিয়াওনিং প্রদেশর বেশিরভাগ এক্সপ্রেসওয়ের টোল স্টেশন বন্ধ ছিল। বন্ধ ছিল বাস, ট্রেনের সব স্টেশনও।  গেল রোববার থেকে শুরু হওয়া  শৈত্য প্রবাহের কারণে কোনও কোনও এলাকায় তাপমাত্রা কমে গেছে প্রায় ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এরইমধ্যে তুষারঝড়ের সর্বোচ্চ সতর্কতা রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে লিয়াওনিং ও জিলিন প্রদেশে।

রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষগুলো কয়লা আমদানি বাড়িয়ে হলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে। নিরবচ্ছিন্ন ‍বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে ঘরবাড়ি গরম রাখার চেষ্টাও চলছে।

গেল মে মাস থেকে উত্তরপূর্বাঞ্চলসহ চীনের বিশাল একটি এলাকা বিদ্যুৎ সঙ্কটে ভুগছে। কয়লার সরবরাহ কম এবং দাম বেশির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এই সঙ্কট দেখা দিয়েছে। আসছে বসন্তের আগ পর্যন্ত পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না বলেও জানা গেছে।

সূত্র: রয়টার্স

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

তীব্র তুষারপাতে বিপর্যস্ত চীন

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১

রেকর্ড পরিমান তুষারপাতে বিপর্যস্ত চীনের উত্তরপূর্বাঞ্চলের জনজীবন। এরইমধ্যে বেশকিছু ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। বিঘ্নিত হচ্ছে যানবাহন ও ট্রেন চলাচল। 

বুধবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় এখন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার পর্যন্ত লিয়াওনিং প্রদেশর বেশিরভাগ এক্সপ্রেসওয়ের টোল স্টেশন বন্ধ ছিল। বন্ধ ছিল বাস, ট্রেনের সব স্টেশনও।  গেল রোববার থেকে শুরু হওয়া  শৈত্য প্রবাহের কারণে কোনও কোনও এলাকায় তাপমাত্রা কমে গেছে প্রায় ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এরইমধ্যে তুষারঝড়ের সর্বোচ্চ সতর্কতা রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে লিয়াওনিং ও জিলিন প্রদেশে।

রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষগুলো কয়লা আমদানি বাড়িয়ে হলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে। নিরবচ্ছিন্ন ‍বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে ঘরবাড়ি গরম রাখার চেষ্টাও চলছে।

গেল মে মাস থেকে উত্তরপূর্বাঞ্চলসহ চীনের বিশাল একটি এলাকা বিদ্যুৎ সঙ্কটে ভুগছে। কয়লার সরবরাহ কম এবং দাম বেশির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এই সঙ্কট দেখা দিয়েছে। আসছে বসন্তের আগ পর্যন্ত পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না বলেও জানা গেছে।

সূত্র: রয়টার্স