শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী উপকরণ কিনতে চায় ইসি

আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী উপকরণ কেনা সম্পন্ন করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, নির্বাচনীসামগ্রী কেনার প্রকিউরমেন্ট সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এ জন্য একটি টেন্ডারে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে, সে কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী রমজানের আগে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সে অনুযায়ী সব প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। কারণ, রোজার আগে ফেব্রুয়ারিতে ভোট হলে ডিসেম্বরেই ইসিকে তফসিল ঘোষণা করতে হবে।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২১ ধরনের ফরম, ১৭ ধরনের প্যাকেট, পাঁচ ধরনের পরিচয়পত্র, আচরণবিধি, প্রতীকের পোস্টার, নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়েল, প্রশিক্ষণ ম্যানুয়েল, নির্দেশিকা ইত্যাদি ছাপানোর কার্যক্রম শুরু করা প্রয়োজন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক সংবলিত থাকে। ফলে নির্বাচন কমিশন সময়সূচি ঘোষণার পর প্রার্থীদের তালিকা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিপুল পরিমাণ ব্যালট পেপার অল্প সময়ে মুদ্রণ করে মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়গুলোতে পাঠাতে হবে। অন্যান্য ফরম, প্যাকেট, পরিচয়পত্র, আচরণবিধি, প্রতীকের পোস্টার, ম্যানুয়েল ও নির্দেশিকা সম্ভাব্য সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই মুদ্রণ করে সংরক্ষণ করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী উপকরণ কিনতে চায় ইসি

প্রকাশিত সময় : ০৬:৪৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী উপকরণ কেনা সম্পন্ন করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, নির্বাচনীসামগ্রী কেনার প্রকিউরমেন্ট সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এ জন্য একটি টেন্ডারে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে, সে কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী রমজানের আগে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সে অনুযায়ী সব প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। কারণ, রোজার আগে ফেব্রুয়ারিতে ভোট হলে ডিসেম্বরেই ইসিকে তফসিল ঘোষণা করতে হবে।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২১ ধরনের ফরম, ১৭ ধরনের প্যাকেট, পাঁচ ধরনের পরিচয়পত্র, আচরণবিধি, প্রতীকের পোস্টার, নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়েল, প্রশিক্ষণ ম্যানুয়েল, নির্দেশিকা ইত্যাদি ছাপানোর কার্যক্রম শুরু করা প্রয়োজন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক সংবলিত থাকে। ফলে নির্বাচন কমিশন সময়সূচি ঘোষণার পর প্রার্থীদের তালিকা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিপুল পরিমাণ ব্যালট পেপার অল্প সময়ে মুদ্রণ করে মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়গুলোতে পাঠাতে হবে। অন্যান্য ফরম, প্যাকেট, পরিচয়পত্র, আচরণবিধি, প্রতীকের পোস্টার, ম্যানুয়েল ও নির্দেশিকা সম্ভাব্য সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই মুদ্রণ করে সংরক্ষণ করতে হবে।