উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে গত দুইদিন ধরে মৃদু শৈতপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দিন দিন কমছে তাপমাত্রার পারদ। রাতভর ঝরতে থাকা ঘন কুয়াশা থাকছে বেলা পর্যন্ত। এর ফাঁকে ঝলমলে রোদে জনজীবনে স্বস্তি ফিরলেও সন্ধ্যা নামতেই অনুভূত হচ্ছে কনকনে শীত।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।এ সময় জেলায় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৭৮ শতাংশ এবং গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার।
এর একদিন আগে অর্থাৎ বৃহস্পতিবারে এখানের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওইদিন রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিল চারদিক। সকাল সাড়ে ৮টার পর থেকে ধীরে ধীরে হালকা রোদ উঠলেও সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ছড়াতে পারেনি রোদের তীব্রতা।
এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় আমাদের সময়কে বলেন, ‘গত দুইদিন ধরে পঞ্চগড়ের ওপর দিয়ে মৃদু শৈতপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও টানা এক সপ্তাহ ধরে পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে পঞ্চগড়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বিরাজ করছে। ফলে এই জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে।’
উত্তরের হিমেল বাতাস প্রবেশ করায় এখন থেকে পঞ্চগড়ে দিন দিন তাপমাত্রা কমতে পারে বলেও জানান তিনি।
এদিকে অগ্রহায়ণের শেষ দিকে এসে উত্তরের এই জনপদে প্রায় প্রতিদিনই সন্ধ্যার পর থেকে ঝরছে ঘন কুয়াশা, যা থাকে পরদিন সকাল পর্যন্ত। হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় কুয়াশার দাপটের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে উত্তরের হিমেল বাতাস। এ কারণে বাড়ছে শীতের তীব্রতাও। তবে দুপুরে ঝলমলে রোদ থাকায় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ছে।
শুক্রবার সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে চারদিক। শীতের সকালে পথঘাটে লোকজনের আনাগোনা খুবই কম। কৃষক-শ্রমিকদের কেউ কেউ বের হয়েছেন কাজের উদ্দেশ্যে।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 















