বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের পরাজয় কি অনিবার্য

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করার সাফল্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে। ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজসম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এবার তার নজর ইরানের দিকে। ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে সামরিক অভিযান চালিয়ে ট্রাম্প ‘বিজয়’ নিশ্চিত করতে চাইছেন। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, এই যুদ্ধ ও এর ফলে সৃষ্ট বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতা শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে জটিল করে তুললেও ট্রাম্পের দাবি, তেলবাজারের অস্থিরতা সাময়িক। তার মতে, ইরানের পারমাণবিক হুমকি নির্মূল হলে তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্বশান্তির জন্য তেলের এই সামান্য মূল্যবৃদ্ধি মেনে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।’

তবে পরিসংখ্যান ভিন্নকথা বলছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখন আগের চেয়ে জ্বালানিতে অনেক বেশি স্বয়ংসম্পূর্ণ, তবুও বিশ্ববাজারের অস্থিরতা থেকে তারা মুক্ত নয়। ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং কাতারের তরলীকৃত গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম ৩.৫০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা ২০২৭ সালের আগে স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম।

অর্থনীতিবিদদের মতে, তেলের এই উচ্চমূল্য কেবল পরিবহন খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

ট্রাম্পের পরাজয় কি অনিবার্য

প্রকাশিত সময় : ১১:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করার সাফল্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে। ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজসম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এবার তার নজর ইরানের দিকে। ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে সামরিক অভিযান চালিয়ে ট্রাম্প ‘বিজয়’ নিশ্চিত করতে চাইছেন। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, এই যুদ্ধ ও এর ফলে সৃষ্ট বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতা শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে জটিল করে তুললেও ট্রাম্পের দাবি, তেলবাজারের অস্থিরতা সাময়িক। তার মতে, ইরানের পারমাণবিক হুমকি নির্মূল হলে তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্বশান্তির জন্য তেলের এই সামান্য মূল্যবৃদ্ধি মেনে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।’

তবে পরিসংখ্যান ভিন্নকথা বলছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখন আগের চেয়ে জ্বালানিতে অনেক বেশি স্বয়ংসম্পূর্ণ, তবুও বিশ্ববাজারের অস্থিরতা থেকে তারা মুক্ত নয়। ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং কাতারের তরলীকৃত গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম ৩.৫০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা ২০২৭ সালের আগে স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম।

অর্থনীতিবিদদের মতে, তেলের এই উচ্চমূল্য কেবল পরিবহন খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।