বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরের ২০ গ্রামে ঈদ আজ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামের মুসল্লিরা আগাম ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে অনুষ্ঠিত এই জামাতে পুরুষদের পাশাপাশি নারী মুসল্লিরাও অংশ নেন।

সকাল সাড়ে ৮টায় জোতবানি ইউনিয়নের খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর এলাকায় মেহেদী হাসান সুমনের আঙিনায় এবং একই সময়ে বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া মাদ্রাসা মাঠে দুটি পৃথক জামাত অনুষ্ঠিত হয়। আয়ড়া মাদ্রাসা মাঠে ইমামতি করেন আল আমিন এবং খয়েরবাড়ির জামাতে ইমাম ছিলেন দোলোয়ার হোসেন।

দুই জামাতে মিলিয়ে দুই শতাধিক নারী-পুরুষ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে মুসল্লিরা ভ্যান, সাইকেল ও মোটরসাইকেলে করে নামাজে অংশ নিতে আসেন। সম্ভাব্য কোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের বিষয়ে খয়েরবাড়ি জামাতের ইমাম মো. দোলোয়ার হোসেন কাজী বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র তিন ঘণ্টা। এই ব্যবধানে দিনের পরিবর্তন হয় না, তাই আমরা তাদের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করি।’

তিনি আরো জানান, ১৯৯৭ সাল থেকে এভাবে ঈদের নামাজ আদায়ের পরিকল্পনা থাকলেও ২০১৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে নামাজ আদায় করা হচ্ছে।

বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘উপজেলার জোতবানি ও বিনাইল ইউনিয়নে আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন ছিল। দুইটি জামাতে দুই শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

দিনাজপুরের ২০ গ্রামে ঈদ আজ

প্রকাশিত সময় : ১২:১২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামের মুসল্লিরা আগাম ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে অনুষ্ঠিত এই জামাতে পুরুষদের পাশাপাশি নারী মুসল্লিরাও অংশ নেন।

সকাল সাড়ে ৮টায় জোতবানি ইউনিয়নের খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর এলাকায় মেহেদী হাসান সুমনের আঙিনায় এবং একই সময়ে বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া মাদ্রাসা মাঠে দুটি পৃথক জামাত অনুষ্ঠিত হয়। আয়ড়া মাদ্রাসা মাঠে ইমামতি করেন আল আমিন এবং খয়েরবাড়ির জামাতে ইমাম ছিলেন দোলোয়ার হোসেন।

দুই জামাতে মিলিয়ে দুই শতাধিক নারী-পুরুষ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে মুসল্লিরা ভ্যান, সাইকেল ও মোটরসাইকেলে করে নামাজে অংশ নিতে আসেন। সম্ভাব্য কোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের বিষয়ে খয়েরবাড়ি জামাতের ইমাম মো. দোলোয়ার হোসেন কাজী বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র তিন ঘণ্টা। এই ব্যবধানে দিনের পরিবর্তন হয় না, তাই আমরা তাদের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করি।’

তিনি আরো জানান, ১৯৯৭ সাল থেকে এভাবে ঈদের নামাজ আদায়ের পরিকল্পনা থাকলেও ২০১৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে নামাজ আদায় করা হচ্ছে।

বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘উপজেলার জোতবানি ও বিনাইল ইউনিয়নে আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন ছিল। দুইটি জামাতে দুই শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন।’