বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্যামপুরে স্টিল মিলের বয়লারে বিস্ফোরণ, জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে দগ্ধ ৮ জন

রাজধানীর শ্যামপুরে আরএসএম স্টিল মিলে বয়লার বিস্ফোরণে আটজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে।

আজ বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল দশটার দিকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

দগ্ধরা হলেন- হীরা (৩৫), মানিক (৪৫), রাজিব আলী (২৯), আরশাদ (৪৫), খলিলুর রহমান (৫৬), মো. লিটন (৩২), মতিউর রহমান (২২) ও ইউসুফ (৪০)।

গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।

তিনি বলেন, সকাল দশটার দিকে আরএসএম স্টিল মিল থেকে দগ্ধ অবস্থায় আটজনকে আমাদের এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। তাদের মধ্যে হীরার শরীরের ১৭ শতাংশ, মানিকের ৪০ শতাংশ, রাজিব আলির  ৪ শতাংশ, আরশাদের ১১ শতাংশ, খলিলুর রহমানের ৯ শতাংশ, লিটনের ৭ শতাংশ, মতিউর রহমানের ১০ শতাংশ ও ইউসুফের ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। আট জনের মধ্যে ৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

মানিকের শরীরে দগ্ধের পরিমাণ বেশি হয় তাকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে এবং হীরাকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে বলে জানান এই আবাসিক সার্জন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

শ্যামপুরে স্টিল মিলের বয়লারে বিস্ফোরণ, জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে দগ্ধ ৮ জন

প্রকাশিত সময় : ০৩:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর শ্যামপুরে আরএসএম স্টিল মিলে বয়লার বিস্ফোরণে আটজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে।

আজ বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল দশটার দিকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

দগ্ধরা হলেন- হীরা (৩৫), মানিক (৪৫), রাজিব আলী (২৯), আরশাদ (৪৫), খলিলুর রহমান (৫৬), মো. লিটন (৩২), মতিউর রহমান (২২) ও ইউসুফ (৪০)।

গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।

তিনি বলেন, সকাল দশটার দিকে আরএসএম স্টিল মিল থেকে দগ্ধ অবস্থায় আটজনকে আমাদের এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। তাদের মধ্যে হীরার শরীরের ১৭ শতাংশ, মানিকের ৪০ শতাংশ, রাজিব আলির  ৪ শতাংশ, আরশাদের ১১ শতাংশ, খলিলুর রহমানের ৯ শতাংশ, লিটনের ৭ শতাংশ, মতিউর রহমানের ১০ শতাংশ ও ইউসুফের ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। আট জনের মধ্যে ৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

মানিকের শরীরে দগ্ধের পরিমাণ বেশি হয় তাকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে এবং হীরাকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে বলে জানান এই আবাসিক সার্জন।