বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল ইরান

চলমান সংঘাতের ‘চূড়ান্ত অবসান’ দাবি করে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র-এর দেওয়া যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান একটি শর্তসাপেক্ষ অবস্থান তুলে ধরে জানায়—শুধু সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং সংঘাতের স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

তেহরান যে দাবিগুলো দিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে—অঞ্চলে সব ধরনের সামরিক সংঘাত বন্ধ করা, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর প্রটোকল প্রণয়ন, এবং ইরানের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই অবস্থান ইঙ্গিত করছে যে তারা অস্থায়ী সমঝোতার বদলে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধান চায়।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি পৃথক ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবকে “খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে বড় ধরনের চুক্তির পথ খুলে দিতে পারে।

তবে দুই পক্ষের অবস্থানে এখনও স্পষ্ট দূরত্ব থাকায় কূটনৈতিক সমাধান কত দ্রুত সম্ভব হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

সূত্র: বিবিসি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

যে কারণে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল ইরান

প্রকাশিত সময় : ১০:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
চলমান সংঘাতের ‘চূড়ান্ত অবসান’ দাবি করে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র-এর দেওয়া যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান একটি শর্তসাপেক্ষ অবস্থান তুলে ধরে জানায়—শুধু সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং সংঘাতের স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

তেহরান যে দাবিগুলো দিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে—অঞ্চলে সব ধরনের সামরিক সংঘাত বন্ধ করা, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর প্রটোকল প্রণয়ন, এবং ইরানের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই অবস্থান ইঙ্গিত করছে যে তারা অস্থায়ী সমঝোতার বদলে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধান চায়।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি পৃথক ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবকে “খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে বড় ধরনের চুক্তির পথ খুলে দিতে পারে।

তবে দুই পক্ষের অবস্থানে এখনও স্পষ্ট দূরত্ব থাকায় কূটনৈতিক সমাধান কত দ্রুত সম্ভব হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

সূত্র: বিবিসি