বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ নিয়ে ১০ দিনে ১৮০ ডিগ্রি উল্টে গেলেন ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি ইসলামাবাদ আলোচনার সবচেয়ে কঠিন বিষয়গুলোর একটি। কিন্তু এই প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আসল অবস্থান কী, সেটাই এখন পরিষ্কার নয়। ওয়াশিংটন থেকে সাংবাদিক মাইক হান্না এই মন্তব্য করেছেন।

মাত্র দশ দিনের মধ্যে ট্রাম্প এই প্রণালি নিয়ে পুরোপুরি বিপরীত দুটি কথা বলেছেন। একবার তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কাজে আসে না। সেখান দিয়ে যে তেল যায় তা ওয়াশিংটনের দরকার নেই। অন্য দেশগুলোই এই প্রণালি পাহারা দিক এবং ইরানের সাথে সমস্যা মেটাক।

কিন্তু কিছুদিন পরেই তিনি ১৮০ ডিগ্রি উল্টে গেলেন। তিনি বললেন, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখাটাই মার্কিন দাবির কেন্দ্রে আছে। প্রণালি না খুললে কোনো আলোচনাই হবে না।

এই দুটি অবস্থান একসাথে মেলানো সম্ভব নয়। তাই ট্রাম্প আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন, সেটা বোঝা যাচ্ছে না।

একটি বিষয় অবশ্য পরিষ্কার। ইরান মনে করে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

সর্বোচ্চ সুবিধা আদায় না করে তারা এই কার্ড ছাড়বে না। আর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান যখন প্রশ্নভেদে ও সময়ভেদে বদলে যায়, তখন পরের দফা আলোচনায় এই বিষয়ে কোনো সমাধান হবে কিনা সেটা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

হরমুজ নিয়ে ১০ দিনে ১৮০ ডিগ্রি উল্টে গেলেন ট্রাম্প

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫৫:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি ইসলামাবাদ আলোচনার সবচেয়ে কঠিন বিষয়গুলোর একটি। কিন্তু এই প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আসল অবস্থান কী, সেটাই এখন পরিষ্কার নয়। ওয়াশিংটন থেকে সাংবাদিক মাইক হান্না এই মন্তব্য করেছেন।

মাত্র দশ দিনের মধ্যে ট্রাম্প এই প্রণালি নিয়ে পুরোপুরি বিপরীত দুটি কথা বলেছেন। একবার তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কাজে আসে না। সেখান দিয়ে যে তেল যায় তা ওয়াশিংটনের দরকার নেই। অন্য দেশগুলোই এই প্রণালি পাহারা দিক এবং ইরানের সাথে সমস্যা মেটাক।

কিন্তু কিছুদিন পরেই তিনি ১৮০ ডিগ্রি উল্টে গেলেন। তিনি বললেন, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখাটাই মার্কিন দাবির কেন্দ্রে আছে। প্রণালি না খুললে কোনো আলোচনাই হবে না।

এই দুটি অবস্থান একসাথে মেলানো সম্ভব নয়। তাই ট্রাম্প আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন, সেটা বোঝা যাচ্ছে না।

একটি বিষয় অবশ্য পরিষ্কার। ইরান মনে করে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

সর্বোচ্চ সুবিধা আদায় না করে তারা এই কার্ড ছাড়বে না। আর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান যখন প্রশ্নভেদে ও সময়ভেদে বদলে যায়, তখন পরের দফা আলোচনায় এই বিষয়ে কোনো সমাধান হবে কিনা সেটা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।