শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুঠিয়ায় চাঁদা না পেয়ে দোকানিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা; ঘাতক আটক

‎রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভাধীন কাউন্সিল বাজারে চাঁদার টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মামুনুর রশিদ জুয়েল (৪৮) নামে এক মুদি দোকানদারকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

আজ ১৭ এপ্রিল শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৬:৩০ ঘটিকার সময় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আনছারের ছেলে মামুনুর রশিদ জুয়েল প্রতিদিনের মতো সকালে দোকান খুলে ভেতরে বসে ছিলেন। এসময় কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের কামালের ছেলে মোঃ মাইনুল (২৩) দোকানে প্রবেশ করে। নেশা করার জন্য চাঁদার টাকা না পেয়ে মাইনুল হলে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মাইনুল তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে জুয়েলের বুকে সজোরে আঘাত করে। জুয়েল রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ঘাতক মাইনুলকে ধাওয়া করে আটক করে। উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে দোকানের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং জনরোষ থেকে আসামীকে উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নেন।

‎এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদুল ইসলাম জানান, স্থানীয় জনগণ আসামিকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখেছিল আমরা তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। লাশ ময়নাতদন্ত পাঠানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

পুঠিয়ায় চাঁদা না পেয়ে দোকানিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা; ঘাতক আটক

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৮:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

‎রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভাধীন কাউন্সিল বাজারে চাঁদার টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মামুনুর রশিদ জুয়েল (৪৮) নামে এক মুদি দোকানদারকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

আজ ১৭ এপ্রিল শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৬:৩০ ঘটিকার সময় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আনছারের ছেলে মামুনুর রশিদ জুয়েল প্রতিদিনের মতো সকালে দোকান খুলে ভেতরে বসে ছিলেন। এসময় কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের কামালের ছেলে মোঃ মাইনুল (২৩) দোকানে প্রবেশ করে। নেশা করার জন্য চাঁদার টাকা না পেয়ে মাইনুল হলে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মাইনুল তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে জুয়েলের বুকে সজোরে আঘাত করে। জুয়েল রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ঘাতক মাইনুলকে ধাওয়া করে আটক করে। উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে দোকানের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং জনরোষ থেকে আসামীকে উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নেন।

‎এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদুল ইসলাম জানান, স্থানীয় জনগণ আসামিকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখেছিল আমরা তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। লাশ ময়নাতদন্ত পাঠানো হয়েছে।