প্রকাশিত সময় :
১২:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
৩
দেশের কোরবানির পশুর চামড়া এবারও ভারত সীমান্ত দিয়ে পাচারের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে যশোরের বেনাপোল সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চামড়ার বাজারে হতাশা বিরাজ করছে। বিজিবির পাশাপাশি সীমান্ত অঞ্চলে পুলিশের টহলও জোরদার করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোরবানির পর যতদিন পর্যন্ত চামড়া পাচারের আশঙ্কা থাকবে, ততদিন এই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
তথ্য বলছে, সরকার চলতি বছর গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা বাড়ালেও বাস্তবে সেই দাম পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।
অনেক বিক্রেতা বলছেন, দেশের বাজারে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় কেউ কেউ বেশি দামের আশায় পাচারকারীদের কাছে চামড়া বিক্রি করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। সরকারি রেটের সঙ্গে বাস্তব বাজারদরের কোনো মিল নেই। তাই বাধ্য হয়ে কম দামে চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে।
সীমান্তে বসবাসকারীরা জানান, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে গরুর চামড়ার দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় প্রতিবছর কোরবানির সময় সীমান্ত পথে চামড়া পাচার হয়। তবে এ বছর যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচার না হয়, সেই বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের উপপরিদর্শক তাপস কুমার আঢ্য বলেন, চামড়া পাচার প্রতিরোধে বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে পুলিশ কাজ করছে। সীমান্ত শহরে টহল জোরদার করা হয়েছে।
জানা যায়, ট্যানারি মালিকরা চলতি বছর ৭৫ থেকে ৮০ লাখ পিস কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছেন।