এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’। পরিবেশ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে একে জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারের নানা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের মেগা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সবুজ শিল্পায়ন জোরদার এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পরিবেশবিদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর তালিকায় ওপরের দিকে রয়েছে বাংলাদেশ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, তীব্র নদীভাঙন, উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা, অনাবৃষ্টি ও ঘন ঘন শক্তিশালী প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে বড় ক্ষত তৈরি করছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অপরিকল্পিত নগরায়ণ, তীব্র বায়ুদূষণ এবং প্লাস্টিক বর্জ্যের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 






















