বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগুনে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের

নারায়ণগঞ্জের মদনপুর এলাকায় একটি বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন একই পরিবারের চারজনই মারা গেছেন। গতকাল সোমবার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একদিনে তিনজনের মৃত্যু হয়। এর আগে, গত ১২ জুন পরিবারের আরেক সদস্য মারা যান।

জানা যায়, ১১ জুন ভোরে মদনপুরের একটি বাসায় আগুন লাগার ঘটনায় একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে হযরত আলী নামে এক শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও পরিবারের অপর চার সদস্যকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল সোমবার ভোরে আলী আহমেদ মান্নান (৫০), সকাল পোনে ১০টায়মো. সায়েম (১৯), ও মিম (১৩) রাত পোনে ১১টায় মারা যান। গত ১২ জুন দুপুরে মারা গেছেন সুলতানা (৩৫)। তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায়। কুমিল্লার গ্রামর বাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়েছে। সেখানেই বাবা-মা ও ছেলেকে এক সঙ্গে দাফন করা হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান।

তিনি জানান, দগ্ধ সকলের অবস্থাই ছিল আশঙ্কাজনক। দগ্ধের মধ্যে আলী আহমেদ মান্নানের শরীরের ৩৫ শতাংশ, সুলতানার ৯০ শতাংশ, সায়েমের ৭৭ শতাংশ  ও মিমের ৪১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

অভিনেত্রীর আত্মহত্যা, মৃত্যুর আগে প্রেমিকের সঙ্গে স্ক্রীনশট ফাঁস

আগুনে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের

প্রকাশিত সময় : ০৬:৩৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের মদনপুর এলাকায় একটি বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন একই পরিবারের চারজনই মারা গেছেন। গতকাল সোমবার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একদিনে তিনজনের মৃত্যু হয়। এর আগে, গত ১২ জুন পরিবারের আরেক সদস্য মারা যান।

জানা যায়, ১১ জুন ভোরে মদনপুরের একটি বাসায় আগুন লাগার ঘটনায় একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে হযরত আলী নামে এক শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও পরিবারের অপর চার সদস্যকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল সোমবার ভোরে আলী আহমেদ মান্নান (৫০), সকাল পোনে ১০টায়মো. সায়েম (১৯), ও মিম (১৩) রাত পোনে ১১টায় মারা যান। গত ১২ জুন দুপুরে মারা গেছেন সুলতানা (৩৫)। তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায়। কুমিল্লার গ্রামর বাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়েছে। সেখানেই বাবা-মা ও ছেলেকে এক সঙ্গে দাফন করা হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান।

তিনি জানান, দগ্ধ সকলের অবস্থাই ছিল আশঙ্কাজনক। দগ্ধের মধ্যে আলী আহমেদ মান্নানের শরীরের ৩৫ শতাংশ, সুলতানার ৯০ শতাংশ, সায়েমের ৭৭ শতাংশ  ও মিমের ৪১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।