বিশ্বকাপে তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর রিয়াল মাদ্রিদও তার চুক্তি নবায়নের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
তবে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বর্ণবাদের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান নিয়েও কথা বলেছেন ভিনিসিয়ুস। তিনি বলেন, ‘মাঠের বাইরের এই অর্জনগুলো আমার ফুটবল অর্জনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ।
ব্রাজিলিয়ান এই তারকা মনে করেন, বর্ণবাদ পুরোপুরি দূর করতে এখনো অনেক পথ বাকি। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই পরিবর্তন ধীরে হচ্ছে। তবে আমি আশা করি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যেন এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।
তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমি মাঠে বড় সাফল্য অর্জন করতে চাই, একই দসঙ্গে সেই তরুণ কৃষ্ণাঙ্গদের অনুপ্রাণিত করতে চাই, যাদের কণ্ঠস্বর আমার মতো জোরালো নয়।’
ব্রাজিলের বর্তমান দল নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভিনিসিয়ুস। তার ভাষায়, ‘এটি এমন একটি প্রজন্ম, যারা ব্রাজিলকে আবারও শীর্ষে ফিরিয়ে নিতে লড়াই করছে। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার অপেক্ষা অনেক দীর্ঘ হয়েছে।
তিনি মনে করেন, কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে দল আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে। ‘আনচেলত্তি আমাদের স্বাধীনতা, মানসিক স্বস্তি এবং বিশ্বাস দিয়েছেন যে আমরা আবারও সেরাদের কাতারে ফিরতে পারি।’
নেইমার, কাসেমিরো, মারকিনিওস, দানিলো ও অ্যালেক্স সান্দ্রোর মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারদের উপস্থিতিও তরুণদের জন্য বড় সহায়তা বলে উল্লেখ করেন তিনি। ‘তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের আরো স্বাধীনভাবে খেলতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এন্দ্রিক ও রায়ানের মতো তরুণরাও দলে নতুন শক্তি যোগ করছে।’
নিজের দুর্দান্ত ফর্মের রহস্য জানাতে গিয়ে ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বলেছিলাম, আমি টেকনিক্যালি, শারীরিকভাবে এবং মানসিকভাবে ক্যারিয়ারের সেরা অবস্থায় আছি। পুরো মৌসুম কঠোর পরিশ্রম করেছি। কোনো ইনজুরিতে পড়িনি, রিয়াল মাদ্রিদের কোনো ম্যাচও মিস করিনি। যত বেশি পরিশ্রম করবেন, ভাগ্যও তত বেশি আপনার পক্ষে থাকবে।’
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হেড থেকে গোল করার প্রসঙ্গে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি সাধারণত হেডে গোল করি না। কোচের সঙ্গে এ নিয়ে বাজি ছিল। ক্যারিয়ারে মাত্র দুই-তিনটি হেডে গোল করেছি। এবার বাজি জেতার উপহারটা বেছে নিতে হবে।’

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























