স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো জানিয়েছে, বিশ্বকাপ জয়ের মাধ্যমে ইয়ামাল তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত লক্ষ্য—ব্যালন ডি’অর—জয়ের আরও কাছাকাছি পৌঁছেছেন।
এত কম বয়সে বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি ফুটবল ইতিহাসে বিরল। ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে এবং ইতালির জিউসেপ্পে বেরগোমির পর ইয়ামালই সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়দের একজন, যিনি বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন।
এর আগে ২০২৪ সালে স্পেনের হয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপও জিতেছিলেন তিনি। সেই আসরে টুর্নামেন্টের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পান।
ব্যক্তিগত অর্জনের তালিকায় রয়েছে কোপা ট্রফি ও গোল্ডেন বয় পুরস্কার, যা ইউরোপের সেরা তরুণ ফুটবলারকে দেওয়া হয়।
গত মৌসুমে লা লিগায় ১৬ গোল করে সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পান ইয়ামাল। ফেররান তোরেসের সঙ্গে যৌথভাবে জেতেন জাররা ট্রফি। পাশাপাশি ১১টি অ্যাসিস্টও করেন।
বার্সেলোনার হয়ে এখন পর্যন্ত ১৫১ ম্যাচে তার গোল ৪৯টি, অ্যাসিস্ট ৪৪টি। এই পরিসংখ্যানই তার ধারাবাহিকতার প্রমাণ।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাঁ হাঁটুর টেন্ডনের চোটে ভুগলেও টুর্নামেন্টে স্পেনের অন্যতম ভরসা ছিলেন তিনি। সৌদি আরবের বিপক্ষে গোল করেন এবং সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে স্পেনের প্রথম গোলের পেনাল্টিও আদায় করেন।
দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সের পর ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন ইয়ামাল। পুরস্কারটি জিততে পারলে ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী ব্যালন ডি’অরজয়ী হওয়ার রেকর্ডও গড়বেন তিনি।
বর্তমান রেকর্ডটি ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিওর। তিনি ১৯৯৭ সালে ২১ বছর ৯২ দিন বয়সে ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন। সেই রেকর্ডের বয়স এখন ২৯ বছর।
গত আসরে উসমান দেম্বেলের পর দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন ইয়ামাল। তবে বিশ্বকাপ, লা লিগা শিরোপা এবং ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স বিবেচনায় এবার তাকে অন্যতম ফেবারিট হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্বকাপের পর আরও একটি সুখবর পেয়েছেন এই স্প্যানিশ তারকা। বিশেষায়িত ওয়েবসাইট ট্রান্সফারমার্কট–এর সর্বশেষ মূল্যায়নে তার বাজারমূল্য বেড়ে হয়েছে ২২০ মিলিয়ন ইউরো। একই বাজারমূল্য রয়েছে নরওয়ের স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডেরও।

স্পোর্টস ডেস্ক/ ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 






















