প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের ৪০১ নম্বর গেটের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। বিস্ফোরণের পর বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল এবং অন্য বিমানবন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট হামলার জন্য হুথি বিদ্রোহীদের দায়ী করেছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বেসামরিক স্থাপনায় এ হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করে কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বেড়েছে। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও এক সপ্তাহের মধ্যে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।
অন্যদিকে হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অংশ নেবে কি না, তা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন বিষয়টি বিবেচনা করছে। সর্বশেষ হামলার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে রিয়াদের এ হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
বিশেষ করে সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত থাকায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।
তবে নিহত দুই বাংলাদেশির নাম, পরিচয় কিংবা বাংলাদেশের কোন জেলার বাসিন্দা, সে বিষয়ে এখনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























