শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের নতুন বাঁধ নির্মাণে দেশের জন্য ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন পানিসম্পদ উপদেষ্টা

ব্রহ্মপুত্রের উজানে চীনের নতুন বাঁধ নির্মাণে বাংলাদেশের জন্য কিছুটা হলেও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানালেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। আজ শনিবার দুপুরে সাভারের বিরুলিয়ায় ব্র্যাক সিডিএমে ‘জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ব্যয় সাশ্রয়ী অভিযোজন কৌশলে গুরুত্বারোপ অষ্টম ফ্রুগাল ইনোভেশন ফোরাম (ফিফা)’ সেমিনারে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপাকালে তিনি এ কথা জানান।

পানিসম্পদ উপদেষ্টা, ‘যখন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বাঁধ দেওয়া হয় তখন পানিটাকে অন্য দিকে ডাইভার্ট করে নিয়ে যায় না, পানিটাকে একটা জায়গায় আটকে রেখে তার পরে ছেড়ে দেয়। সেই হিসাবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চীনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তখন চীন বাংলাদেশকে জানিয়েছিল,যেহেতু তারা পানি ডাইভার্ট করবে না বরং যেখানে তারা বাঁধ দিচ্ছে পানিটা নিচে প্রবাহিত হবে।’

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘পানি তারা (চীন) বিদ্যুৎ উৎপাদন করার জন্য যতটুকু আটকানোর দরকার, ততটুকু আটকিয়ে বাকিটা ছেড়ে দেবে। সুতরাং এখানে প্রানি প্রবাহ কমে আসবে না এবং ভাটির দেশগুলোর তেমন কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। এটা চীন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। তারপরেও যেকোনো একটা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে একটু পানি হলেও নিচের দিকে ফ্লোটা কমে যায়, সেক্ষেত্রে একটু আশঙ্কা থেকে যায়।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

চীনের নতুন বাঁধ নির্মাণে দেশের জন্য ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন পানিসম্পদ উপদেষ্টা

প্রকাশিত সময় : ০৫:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

ব্রহ্মপুত্রের উজানে চীনের নতুন বাঁধ নির্মাণে বাংলাদেশের জন্য কিছুটা হলেও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানালেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। আজ শনিবার দুপুরে সাভারের বিরুলিয়ায় ব্র্যাক সিডিএমে ‘জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ব্যয় সাশ্রয়ী অভিযোজন কৌশলে গুরুত্বারোপ অষ্টম ফ্রুগাল ইনোভেশন ফোরাম (ফিফা)’ সেমিনারে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপাকালে তিনি এ কথা জানান।

পানিসম্পদ উপদেষ্টা, ‘যখন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বাঁধ দেওয়া হয় তখন পানিটাকে অন্য দিকে ডাইভার্ট করে নিয়ে যায় না, পানিটাকে একটা জায়গায় আটকে রেখে তার পরে ছেড়ে দেয়। সেই হিসাবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চীনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তখন চীন বাংলাদেশকে জানিয়েছিল,যেহেতু তারা পানি ডাইভার্ট করবে না বরং যেখানে তারা বাঁধ দিচ্ছে পানিটা নিচে প্রবাহিত হবে।’

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘পানি তারা (চীন) বিদ্যুৎ উৎপাদন করার জন্য যতটুকু আটকানোর দরকার, ততটুকু আটকিয়ে বাকিটা ছেড়ে দেবে। সুতরাং এখানে প্রানি প্রবাহ কমে আসবে না এবং ভাটির দেশগুলোর তেমন কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। এটা চীন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। তারপরেও যেকোনো একটা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে একটু পানি হলেও নিচের দিকে ফ্লোটা কমে যায়, সেক্ষেত্রে একটু আশঙ্কা থেকে যায়।’