শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছোটবেলায় ঈদ সালামি নিয়ে কাড়াকাড়ি করতাম: সাবিলা নূর

ঈদুল ফিতরের আনন্দে মেতেছেন দেশবাসী। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন ঈদ উৎসবের প্রতিটি মুহূর্ত। অন্য সাধারণের মতো শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও ব্যতিক্রম নন। তবে এবারের ঈদ সাবিলা নূরের জন্য একটু বেশি বিশেষ। কারণ এই ঈদেই মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’।

ঈদুল ফিতরকে ঘিরে সাবিলা নূরের পুরো প্রস্তুতিই আবর্তিত হয়েছে তার সিনেমাকে কেন্দ্র করে। তিনি বলেন, “এবারের ঈদের প্রস্তুতিটা পুরোপুরি সিনেমাকে ঘিরে। ইচ্ছা আছে হলে দর্শক এবং পরিবারের সঙ্গে সিনেমাটা দেখব। সবার প্রতিক্রিয়া উপভোগ করব।”

ঈদের আনন্দের সঙ্গে নিজের সিনেমার মুক্তি—এই দ্বৈত অনুভূতিই যেন তাকে দিচ্ছে আলাদা উত্তেজনা। ঈদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কেনাকাটা। এ বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, “পরিবারের জন্য কেনাকাটা করেছি। নিজের জন্য সেভাবে করা হয়নি। গিফট পেয়েছি—বর দিয়েছে, শাশুড়ি দিয়েছেন। আমার বাবা-মা দুই বছর পর এবার আমার সঙ্গে ঈদ করছেন, তারাও উপহার দিয়েছেন।”

ঈদ মানেই স্মৃতির দরজা খুলে যাওয়া। সাবিলার কাছেও শৈশবের ঈদ মানেই ছিল আনন্দ আর হইচইয়ে ভরা দিন। শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আমার নানাবাড়ি-দাদাবাড়ি দুটোই চট্টগ্রামে। তাই পরিবারের সবাই, কাজিনদের সঙ্গে দারুণ সময় কাটত। ঘুরতে যেতাম, খুব এনজয় করতাম। আর সালামি নিয়ে তো কাড়াকাড়ি হতো।”

হাসতে হাসতে সাবিলা নূর বলেন, “নানা-নানি, দাদা-দাদির কাছ থেকে সালামি নিতাম। সবার আগে পাওয়ার একটা প্রতিযোগিতা চলত। আর পাওয়ার পর মায়ের কাছে জমা দিতাম।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ছোটবেলায় ঈদ সালামি নিয়ে কাড়াকাড়ি করতাম: সাবিলা নূর

প্রকাশিত সময় : ০২:২২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরের আনন্দে মেতেছেন দেশবাসী। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন ঈদ উৎসবের প্রতিটি মুহূর্ত। অন্য সাধারণের মতো শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও ব্যতিক্রম নন। তবে এবারের ঈদ সাবিলা নূরের জন্য একটু বেশি বিশেষ। কারণ এই ঈদেই মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’।

ঈদুল ফিতরকে ঘিরে সাবিলা নূরের পুরো প্রস্তুতিই আবর্তিত হয়েছে তার সিনেমাকে কেন্দ্র করে। তিনি বলেন, “এবারের ঈদের প্রস্তুতিটা পুরোপুরি সিনেমাকে ঘিরে। ইচ্ছা আছে হলে দর্শক এবং পরিবারের সঙ্গে সিনেমাটা দেখব। সবার প্রতিক্রিয়া উপভোগ করব।”

ঈদের আনন্দের সঙ্গে নিজের সিনেমার মুক্তি—এই দ্বৈত অনুভূতিই যেন তাকে দিচ্ছে আলাদা উত্তেজনা। ঈদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কেনাকাটা। এ বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, “পরিবারের জন্য কেনাকাটা করেছি। নিজের জন্য সেভাবে করা হয়নি। গিফট পেয়েছি—বর দিয়েছে, শাশুড়ি দিয়েছেন। আমার বাবা-মা দুই বছর পর এবার আমার সঙ্গে ঈদ করছেন, তারাও উপহার দিয়েছেন।”

ঈদ মানেই স্মৃতির দরজা খুলে যাওয়া। সাবিলার কাছেও শৈশবের ঈদ মানেই ছিল আনন্দ আর হইচইয়ে ভরা দিন। শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আমার নানাবাড়ি-দাদাবাড়ি দুটোই চট্টগ্রামে। তাই পরিবারের সবাই, কাজিনদের সঙ্গে দারুণ সময় কাটত। ঘুরতে যেতাম, খুব এনজয় করতাম। আর সালামি নিয়ে তো কাড়াকাড়ি হতো।”

হাসতে হাসতে সাবিলা নূর বলেন, “নানা-নানি, দাদা-দাদির কাছ থেকে সালামি নিতাম। সবার আগে পাওয়ার একটা প্রতিযোগিতা চলত। আর পাওয়ার পর মায়ের কাছে জমা দিতাম।”