মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মা নদীতে ট্রলারডুবি, ২৩টি কোরবানির গরুসহ ব্যবসায়ী নিখোঁজ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পদ্মা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় ২৩টি কোরবানির গরুসহ এক ব্যবসায়ী নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে পদ্মা সেতুর ১৫ নম্বর পিলারের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ ব্যবসায়ীর নাম আইয়ুব আলী (৪৫)। তিনি ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার সালিপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান মিস্ত্রির ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, ফরিদপুরের চরভদ্রাসন এলাকা থেকে ২০ জন ব্যবসায়ী ২৮টি কোরবানির গরু নিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জের হাটে যাচ্ছিলেন।

দুপুর আড়াইটার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি পদ্মা সেতুর নিচে ডুবে যায়। এতে ২০ জনের মধ্যে ১৯ জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও আইয়ুব আলী নিখোঁজ হন। ট্রলারে থাকা ২৮টি গরুর মধ্যে পাঁচটি জীবিত উদ্ধার করা হলেও বাকি ২৩টি স্রোতে ভেসে যায়।

মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইলিয়াস জানান, বৈরী আবহাওয়া ও তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে এবং ডুবে যাওয়া ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হবে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, প্রচণ্ড ঢেউ ও বাতাসের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পদ্মা নদীতে ট্রলারডুবি, ২৩টি কোরবানির গরুসহ ব্যবসায়ী নিখোঁজ

প্রকাশিত সময় : ০৯:০২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পদ্মা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় ২৩টি কোরবানির গরুসহ এক ব্যবসায়ী নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে পদ্মা সেতুর ১৫ নম্বর পিলারের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ ব্যবসায়ীর নাম আইয়ুব আলী (৪৫)। তিনি ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার সালিপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান মিস্ত্রির ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, ফরিদপুরের চরভদ্রাসন এলাকা থেকে ২০ জন ব্যবসায়ী ২৮টি কোরবানির গরু নিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জের হাটে যাচ্ছিলেন।

দুপুর আড়াইটার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি পদ্মা সেতুর নিচে ডুবে যায়। এতে ২০ জনের মধ্যে ১৯ জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও আইয়ুব আলী নিখোঁজ হন। ট্রলারে থাকা ২৮টি গরুর মধ্যে পাঁচটি জীবিত উদ্ধার করা হলেও বাকি ২৩টি স্রোতে ভেসে যায়।

মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইলিয়াস জানান, বৈরী আবহাওয়া ও তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে এবং ডুবে যাওয়া ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হবে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, প্রচণ্ড ঢেউ ও বাতাসের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।