শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের রাডার স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে রাডার স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। শুক্রবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করার পর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। খবর এএফপির।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান থেকে ছোড়া ড্রোনগুলো হরমুজ প্রণালীর দিকে অগ্রসর হচ্ছিল এবং আঞ্চলিক সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছিল। পরে গোরুক ও কাশেম দ্বীপে অবস্থিত উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

সেন্ট্রাল কমান্ড আরও দাবি করেছে, সম্ভাব্য বড় ধরনের হুমকি প্রতিরোধ এবং নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় নতুন করে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক ও সামরিক টানাপোড়েন দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত রয়েছে।

গত ৮ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য চলমান আলোচনা এখনো সফল হয়নি। এর মধ্যেই দুই পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিকবার পাল্টাপাল্টি হামলা ও সামরিক উত্তেজনার অভিযোগ করে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সর্বশেষ এই ঘটনা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও জটিল ও অনিশ্চিত করে তুলতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

ইরানের রাডার স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত সময় : ১১:২১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে রাডার স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। শুক্রবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করার পর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। খবর এএফপির।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান থেকে ছোড়া ড্রোনগুলো হরমুজ প্রণালীর দিকে অগ্রসর হচ্ছিল এবং আঞ্চলিক সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছিল। পরে গোরুক ও কাশেম দ্বীপে অবস্থিত উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

সেন্ট্রাল কমান্ড আরও দাবি করেছে, সম্ভাব্য বড় ধরনের হুমকি প্রতিরোধ এবং নৌচলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় নতুন করে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক ও সামরিক টানাপোড়েন দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত রয়েছে।

গত ৮ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য চলমান আলোচনা এখনো সফল হয়নি। এর মধ্যেই দুই পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিকবার পাল্টাপাল্টি হামলা ও সামরিক উত্তেজনার অভিযোগ করে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সর্বশেষ এই ঘটনা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও জটিল ও অনিশ্চিত করে তুলতে পারে।