সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকবে না: ট্রাম্প

ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা।

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা প্রক্রিয়া নিয়ে ঘোষণা দেওয়ার পর রোববার (১৪ জুন) নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।

সাক্ষাৎকারে তিনি নেতানিয়াহুর সমালোচনা করে বলেন, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চূড়ান্ত চুক্তিকে প্রায় ভেঙে ফেলেছিল। নেতানিয়াহুকে তিনি “খুবই কঠিন মানুষ” বলেও অভিহিত করেন।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের যদি পারমাণবিক অস্ত্র থাকত, তবে ইসরায়েল “দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না”। এ কারণে ইসরায়েলের যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি সতর্ক করে বলেন, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে হামলা চালাতে পারে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্প দাবি করেছেন—ইরানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার কারণেই দেশটি আলোচনার টেবিলে বসতে এবং সমঝোতায় যেতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষায়, ইরান আর তৃতীয় কোনো হামলার মুখোমুখি হতে চায় না এবং তারা টিকে থাকতে চায়।

ট্রাম্পের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপগুলোই এই কূটনৈতিক সমঝোতা এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং এর প্রভাব ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নয়, সিয়ামের পছন্দের দল স্পেন

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকবে না: ট্রাম্প

প্রকাশিত সময় : ০৬:০৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা।

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা প্রক্রিয়া নিয়ে ঘোষণা দেওয়ার পর রোববার (১৪ জুন) নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।

সাক্ষাৎকারে তিনি নেতানিয়াহুর সমালোচনা করে বলেন, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চূড়ান্ত চুক্তিকে প্রায় ভেঙে ফেলেছিল। নেতানিয়াহুকে তিনি “খুবই কঠিন মানুষ” বলেও অভিহিত করেন।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের যদি পারমাণবিক অস্ত্র থাকত, তবে ইসরায়েল “দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না”। এ কারণে ইসরায়েলের যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি সতর্ক করে বলেন, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে হামলা চালাতে পারে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্প দাবি করেছেন—ইরানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার কারণেই দেশটি আলোচনার টেবিলে বসতে এবং সমঝোতায় যেতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষায়, ইরান আর তৃতীয় কোনো হামলার মুখোমুখি হতে চায় না এবং তারা টিকে থাকতে চায়।

ট্রাম্পের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপগুলোই এই কূটনৈতিক সমঝোতা এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং এর প্রভাব ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী।