পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে কানাডা। তারা দক্ষিণ আফ্রিকার গোলমুখে মোট ১২টি শট নেয়, যার সাতটি ছিল লক্ষ্যভেদী। দক্ষিণ আফ্রিকার গোলকিপার রনওয়েন উইলিয়ামস অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ছয়টি শট ঠেকিয়ে দেন। তবে সপ্তমবার আর দলকে রক্ষা করতে পারেননি তিনি। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় কানাডার ঐতিহাসিক জয়।
এবার নিয়ে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে কানাডা। আগের দুই আসরেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল দলটিকে। তবে এবার তারা শুধু গ্রুপ পর্বই নয়, নকআউটের প্রথম বাধাও পেরিয়ে প্রথমবারের মতো শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই গোলশূন্য সমতায় ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে ৬৫তম মিনিটে জোনাথন ডেভিডের জোরালো শট পা বাড়িয়ে দারুণভাবে রুখে দেন উইলিয়ামস। ফিরতি বল থেকেও গোলের সম্ভাবনা নষ্ট করেন এমবোকাজি। কিন্তু কানাডার লাগাতার আক্রমণের চাপ শেষ পর্যন্ত সামলাতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























