বিতর্কিত সেই ম্যাচ নিয়ে নিজেদের মত জানিয়েছেন ফুটবলের কিংবদন্তিরাও। তবে সবার প্রতিক্রিয়া ছিল এক রকম নয়।
অঁরির মতে, মূল সমস্যা সিদ্ধান্ত সঠিক না ভুল—তা নয়; বরং ভিএআরের প্রয়োগে ধারাবাহিকতার অভাবই প্রশ্ন তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, ‘মিশরের গোলটি ভিএআর খুব ভালোভাবে পর্যালোচনা করে বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু পরে পেনাল্টির আবেদনের সময় একই ধরনের বিস্তারিত পর্যালোচনা দেখা যায়নি। এখানেই মানুষের প্রশ্ন তৈরি হয়। ভিএআর চালুর উদ্দেশ্য ছিল ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা। সমর্থকরা নিখুঁত সিদ্ধান্ত নয়, বরং সবার জন্য একই নিয়মের প্রয়োগ চায়।’
অন্যদিকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক অধিনায়ক রয় কিন মিশরের কোচের অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, ‘ম্যাচ হারার পর সমর্থকরা এমন কথা বলতে পারে, কিন্তু জাতীয় দলের একজন কোচের কাছ থেকে এটি আশা করা যায় না। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও যদি ম্যাচ হারেন, তাহলে আগে নিজেদের ভুলের দিকে তাকাতে হবে।’
রয় কিন আরও বলেন, ‘মেসি জিতলেই অনেকে ফুটবল বাদ দিয়ে ষড়যন্ত্র খুঁজতে শুরু করে। এটি সহজ অজুহাত। পরাজয় মেনে নিয়ে কোথায় ভুল হয়েছে, সেটি বিশ্লেষণ করা উচিত।’
সুইডিশ কিংবদন্তি জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচও একই সুরে কথা বলেছেন। মেসির জনপ্রিয়তার কারণে আর্জেন্টিনা সুবিধা পায়—এমন ধারণা প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, ‘মেসি জিতলেই মানুষ ষড়যন্ত্রের গল্প শুরু করে। এটি পুরোনো একটি অজুহাত। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও যদি ম্যাচ ধরে রাখতে না পারেন, তাহলে রেফারি বা টুর্নামেন্টকে দায়ী করার আগে নিজেদের দিকে তাকাতে হবে।’
ইব্রাহিমোভিচের মতে, বিশ্বকাপে ভুলের সুযোগ কম। তিনি বলেন, ‘একজন জাতীয় দলের কোচের উচিত দায়িত্ব নেওয়া এবং উদাহরণ তৈরি করা। অজুহাত তৈরি করা নয়। আর্জেন্টিনা লড়াই করে জিতেছে। হারলে তা মেনে নিয়ে শিক্ষা নিতে হবে।’

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























