রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে বোস্টন ইউনিভার্সিটির এই গ্র্যাজুয়েট বলেন, “প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে ২২ জন শিক্ষার্থীর প্রাণ ঝরে গেছে। মোদিজি, আমি আবারও অনুরোধ করছি-শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করুন। তা না হলে এই আন্দোলন কেবল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, আন্দোলনের পরবর্তী তীর আপনার পদত্যাগের দিকেই ধাবিত হবে।”
একজন ব্যর্থ ও অযোগ্য মন্ত্রী কোনোভাবেই দেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থীর জীবনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন না উল্লেখ করে অভিজিৎ আরও বলেন, “যদি একজন ব্যর্থ মন্ত্রীকে রক্ষা করা কোটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের চেয়ে বড় মনে করা হয়, তবে মনে রাখবেন-ভারতের জনগণ আর কখনো আপনাদের ভোট দেবে না। ঘটনার ৩৪ দিন পর প্রধানমন্ত্রীর টনক নড়ল, অথচ তিনি এখনো এই অযোগ্য মন্ত্রীকে রক্ষা করে যাচ্ছেন, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।”
এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জীতেন্দ্র সিং জানান, সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত এবং অন্তত চারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছে। তারা যেকোনো সরকারি বাসভবন বা কার্যালয়ে বৈঠকে বসার আহ্বান জানিয়েছেন।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে তরুণদের এই সংগঠনটি।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 























