রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে পরীমনিকে আইনি নোটিশ

সাংবাদিককে হেনস্তা, অশালীন ভাষায় গালাগাল ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি জাতীয় সংগীতের সঙ্গে আপত্তিকর বক্তব্য প্রকাশের ঘটনায় চিত্রনায়িকা পরীমনিকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককেও।

রোববার (৮ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং অ্যাডভোকেট হাসান অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের স্বত্বাধিকারী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে আগামী সাত দিনের মধ্যে আদালত প্রাঙ্গণে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য পরীমনিকে লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে অশ্লীল বক্তব্য, হুমকি, অশালীন অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি এবং শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্যহীন অশ্লীল ও নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ের মধ্যে পরীমনিকে শোকজ নোটিশ দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা একটি মামলায় গত ৫ নভেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান পরীমনি। ওই দিন সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গাড়ি থেকে নেমে এজলাসের দিকে যাওয়ার সময় সাংবাদিকেরা তাঁর ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে তাঁদের ধাক্কাধাক্কি হয়।

এ সময় সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে পরীমনির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তাঁর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা ভিডিও ধারণের কাজে ব্যবহৃত সাংবাদিকের ট্রাইপড ভেঙে ফেলেন বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালত প্রাঙ্গণে ওই দিনের ধাক্কাধাক্কিতে জাগো নিউজের প্রতিবেদক আশিকুজ্জামান, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আব্দুল্লাহ আল কাউছার, আগামীর সময়ের প্রতিবেদক সিয়াম হোসেন এবং টাইমস টুডের শাহ রিয়াজ আহত হন বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সুজন চন্দ্র মণি দাস নামে এক বিচারপ্রার্থীও আহত হন। তাঁর মাথা ফেটে রক্ত বের হওয়ার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, আদালত থেকে বের হওয়ার পর পরীমনি সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের দিকে তেড়ে যান। তাঁর ডান হাত জন্মগতভাবে ছোট এবং তিনটি আঙুল না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে বলা হয়, ওই হাত ধরে টানাটানির প্রতিবাদ করায় পরীমনি তাঁকে উদ্দেশ করে অশালীন ভাষায় গালাগাল করেন এবং পিষে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এ ঘটনার ভিডিও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে বলেও নোটিশে দাবি করা হয়েছে।

আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, একজন পেশাগত সাংবাদিকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ শুধু তাঁর পেশাগত মর্যাদার ওপর আঘাত নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের দায়িত্ব পালনের পরিবেশের জন্যও হুমকিস্বরূপ।

পরীমনির বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্ট নিয়ে। নোটিশে বলা হয়, গত ৬ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতকে মিউজিক হিসেবে ব্যবহার করে আপত্তিকর ও অশালীন ভাষার একটি বক্তব্য পোস্ট করেন তিনি। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

নোটিশে আইনজীবী উল্লেখ করেন, একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে পরীমনির আচরণ, কথাবার্তা ও চলাফেরা অনেকেই অনুসরণ করেন। বিশেষ করে শিশু-কিশোর ও তরুণদের ওপর তাঁর কর্মকাণ্ডের প্রভাব পড়তে পারে। তাই প্রকাশ্যে অশালীন বক্তব্য, সাংবাদিককে হত্যার হুমকি এবং জাতীয় সংগীতের সঙ্গে আপত্তিকর পোস্টের মতো ঘটনা সামাজিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জাতীয় সংগীতের অবমাননার অভিযোগের বিষয়ে নোটিশে সংবিধানের ৪(১) অনুচ্ছেদ এবং ‘দ্য বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যান্থেম, ফ্ল্যাগ অ্যান্ড এমব্লেম অর্ডার, ১৯৭২’-এর বিধান তুলে ধরা হয়েছে। আইনজীবীর দাবি, ২০১০ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জাতীয় সংগীত, পতাকা বা প্রতীকের বিধান লঙ্ঘন কিংবা অবমাননার দায়ে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

এ ছাড়া দণ্ডবিধির ৫০৩ ও ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন এবং হত্যার হুমকির শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, সাধারণ অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর এবং হত্যার হুমকি বা গুরুতর জখমের হুমকির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। পাশাপাশি দণ্ডবিধির ৫০৪, ৪৯৯ ও ৫০০ ধারার বিধানও উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনি নোটিশে আরও বলা হয়েছে, পরীমনির এসব কর্মকাণ্ডে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একজন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর কাছ থেকে সংযত ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত।

সবশেষে নোটিশে অভিযোগ করা হয়, এসব ঘটনার পরও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পক্ষ থেকে কোনো সাংগঠনিক বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে সংগঠনটির ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৬’ হলেন অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি

নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে পরীমনিকে আইনি নোটিশ

প্রকাশিত সময় : ১১:০৪:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

সাংবাদিককে হেনস্তা, অশালীন ভাষায় গালাগাল ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগের পাশাপাশি জাতীয় সংগীতের সঙ্গে আপত্তিকর বক্তব্য প্রকাশের ঘটনায় চিত্রনায়িকা পরীমনিকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককেও।

রোববার (৮ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং অ্যাডভোকেট হাসান অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের স্বত্বাধিকারী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে আগামী সাত দিনের মধ্যে আদালত প্রাঙ্গণে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য পরীমনিকে লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে অশ্লীল বক্তব্য, হুমকি, অশালীন অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি এবং শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্যহীন অশ্লীল ও নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ের মধ্যে পরীমনিকে শোকজ নোটিশ দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা একটি মামলায় গত ৫ নভেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান পরীমনি। ওই দিন সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গাড়ি থেকে নেমে এজলাসের দিকে যাওয়ার সময় সাংবাদিকেরা তাঁর ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে তাঁদের ধাক্কাধাক্কি হয়।

এ সময় সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে পরীমনির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তাঁর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা ভিডিও ধারণের কাজে ব্যবহৃত সাংবাদিকের ট্রাইপড ভেঙে ফেলেন বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালত প্রাঙ্গণে ওই দিনের ধাক্কাধাক্কিতে জাগো নিউজের প্রতিবেদক আশিকুজ্জামান, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার আব্দুল্লাহ আল কাউছার, আগামীর সময়ের প্রতিবেদক সিয়াম হোসেন এবং টাইমস টুডের শাহ রিয়াজ আহত হন বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সুজন চন্দ্র মণি দাস নামে এক বিচারপ্রার্থীও আহত হন। তাঁর মাথা ফেটে রক্ত বের হওয়ার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, আদালত থেকে বের হওয়ার পর পরীমনি সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইনের দিকে তেড়ে যান। তাঁর ডান হাত জন্মগতভাবে ছোট এবং তিনটি আঙুল না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে বলা হয়, ওই হাত ধরে টানাটানির প্রতিবাদ করায় পরীমনি তাঁকে উদ্দেশ করে অশালীন ভাষায় গালাগাল করেন এবং পিষে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এ ঘটনার ভিডিও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে বলেও নোটিশে দাবি করা হয়েছে।

আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, একজন পেশাগত সাংবাদিকের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ শুধু তাঁর পেশাগত মর্যাদার ওপর আঘাত নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের দায়িত্ব পালনের পরিবেশের জন্যও হুমকিস্বরূপ।

পরীমনির বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্ট নিয়ে। নোটিশে বলা হয়, গত ৬ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতকে মিউজিক হিসেবে ব্যবহার করে আপত্তিকর ও অশালীন ভাষার একটি বক্তব্য পোস্ট করেন তিনি। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

নোটিশে আইনজীবী উল্লেখ করেন, একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে পরীমনির আচরণ, কথাবার্তা ও চলাফেরা অনেকেই অনুসরণ করেন। বিশেষ করে শিশু-কিশোর ও তরুণদের ওপর তাঁর কর্মকাণ্ডের প্রভাব পড়তে পারে। তাই প্রকাশ্যে অশালীন বক্তব্য, সাংবাদিককে হত্যার হুমকি এবং জাতীয় সংগীতের সঙ্গে আপত্তিকর পোস্টের মতো ঘটনা সামাজিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জাতীয় সংগীতের অবমাননার অভিযোগের বিষয়ে নোটিশে সংবিধানের ৪(১) অনুচ্ছেদ এবং ‘দ্য বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যান্থেম, ফ্ল্যাগ অ্যান্ড এমব্লেম অর্ডার, ১৯৭২’-এর বিধান তুলে ধরা হয়েছে। আইনজীবীর দাবি, ২০১০ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জাতীয় সংগীত, পতাকা বা প্রতীকের বিধান লঙ্ঘন কিংবা অবমাননার দায়ে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

এ ছাড়া দণ্ডবিধির ৫০৩ ও ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন এবং হত্যার হুমকির শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, সাধারণ অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর এবং হত্যার হুমকি বা গুরুতর জখমের হুমকির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। পাশাপাশি দণ্ডবিধির ৫০৪, ৪৯৯ ও ৫০০ ধারার বিধানও উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনি নোটিশে আরও বলা হয়েছে, পরীমনির এসব কর্মকাণ্ডে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একজন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর কাছ থেকে সংযত ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশিত।

সবশেষে নোটিশে অভিযোগ করা হয়, এসব ঘটনার পরও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পক্ষ থেকে কোনো সাংগঠনিক বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে সংগঠনটির ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার।