বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইইউয়ের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক শীর্ষ প্রতিনিধি ও ইউরোপিয়ান কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোসেপ বোরেল ফন্টেলেসের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এর আগে ব্রুনাই দারুসসালামের দ্বিতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাতো সেরি সেতিয়া হাজী এরিওয়ান বিন পেহিন দাতু পেকারমা জয়া হাজী মোহাম্মদ ইউসুফের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা চান তিনি।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও অত্যন্ত জোরালোভাবে বৈঠকে উত্থাপন করে মোমেন বলেন, অনেক প্রচেষ্টার পরেও গত পাঁচ বছরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আলোর মুখ দেখেনি। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, জাপান, কোরিয়া, ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর মিয়ানমারের সঙ্গে অধিকতর বিনিয়োগ ও বাণিজ্য থাকায় তাদের দিক থেকেও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারের ওপর চাপ বজায় রাখা প্রয়োজন।-ভোরের কাগজ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইইউয়ের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত সময় : ০৫:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক শীর্ষ প্রতিনিধি ও ইউরোপিয়ান কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোসেপ বোরেল ফন্টেলেসের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এর আগে ব্রুনাই দারুসসালামের দ্বিতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাতো সেরি সেতিয়া হাজী এরিওয়ান বিন পেহিন দাতু পেকারমা জয়া হাজী মোহাম্মদ ইউসুফের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা চান তিনি।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও অত্যন্ত জোরালোভাবে বৈঠকে উত্থাপন করে মোমেন বলেন, অনেক প্রচেষ্টার পরেও গত পাঁচ বছরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আলোর মুখ দেখেনি। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, জাপান, কোরিয়া, ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর মিয়ানমারের সঙ্গে অধিকতর বিনিয়োগ ও বাণিজ্য থাকায় তাদের দিক থেকেও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারের ওপর চাপ বজায় রাখা প্রয়োজন।-ভোরের কাগজ