শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কারখানা বন্ধ করার জন্য তো আমি দায়ি না”

শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, কারখানা বন্ধ করার জন্য তিনি দায়ি নন। কিছু লোক কারখানা গড়ে তুলে ব্যাংক ঋণ নিয়ে বিদেশে টাকা পাচার করেছে, দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, এখন শ্রমিকদের টাকা দিতে পারছে না। এ কারণে কিছু কারখানা বন্ধ। কারখানা বন্ধের জন্য সরকার দায়ি না।
শনিবার (২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী নগরীর তেরখাদিয়া এলাকায় জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে শ্রম অধিদফতরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের সাথে মতবিনিময় এবং শ্রমিকদের মাঝে চেক হস্তান্তর শেষে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশে যদি কারখানা না চলতো তাহলে সাত থেকে আট শতাংশ রপ্তানি বাড়লো কীভাবে? দেশে ভালো মালিকরা আছে, যারা কখনও ঋণখেলাপ হননি, যারা শ্রমিকদের দেখভাল করছেন, তারা ঠিকমতো বেতন দিচ্ছেন। আর কিছু লোক কারখানা গড়েছেন, যেনো টাকা পয়সা ওদিক থেকে ওদিক করতে পারে।
এর আগে উপদেষ্টা একই ভবনে একটি গবেষণা কনফারেন্সের উদ্বোধন করেন। তিনি সেখানে বলেন, চা বাগানে শৌচাগার না থাকা খুবই অমানবিক। এর ফলে সেখানকার নারী কর্মীদের ক্যান্সার হচ্ছে। সেখানে খাবার পানিও পাওয়া যায় না।
কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ইমরুল মহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব এ এইচ এম শফিকুজ্জামান।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

কারখানা বন্ধ করার জন্য তো আমি দায়ি না”

প্রকাশিত সময় : ১০:০১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, কারখানা বন্ধ করার জন্য তিনি দায়ি নন। কিছু লোক কারখানা গড়ে তুলে ব্যাংক ঋণ নিয়ে বিদেশে টাকা পাচার করেছে, দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, এখন শ্রমিকদের টাকা দিতে পারছে না। এ কারণে কিছু কারখানা বন্ধ। কারখানা বন্ধের জন্য সরকার দায়ি না।
শনিবার (২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী নগরীর তেরখাদিয়া এলাকায় জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে শ্রম অধিদফতরের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের সাথে মতবিনিময় এবং শ্রমিকদের মাঝে চেক হস্তান্তর শেষে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশে যদি কারখানা না চলতো তাহলে সাত থেকে আট শতাংশ রপ্তানি বাড়লো কীভাবে? দেশে ভালো মালিকরা আছে, যারা কখনও ঋণখেলাপ হননি, যারা শ্রমিকদের দেখভাল করছেন, তারা ঠিকমতো বেতন দিচ্ছেন। আর কিছু লোক কারখানা গড়েছেন, যেনো টাকা পয়সা ওদিক থেকে ওদিক করতে পারে।
এর আগে উপদেষ্টা একই ভবনে একটি গবেষণা কনফারেন্সের উদ্বোধন করেন। তিনি সেখানে বলেন, চা বাগানে শৌচাগার না থাকা খুবই অমানবিক। এর ফলে সেখানকার নারী কর্মীদের ক্যান্সার হচ্ছে। সেখানে খাবার পানিও পাওয়া যায় না।
কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক ইমরুল মহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব এ এইচ এম শফিকুজ্জামান।