শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় আহত বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু

সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় আহত ময়মনসিংহের প্রবাসী আব্দুল্লাহ আল মামুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামুনের বাবা। নিহত মামুন (৩৫) গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে মিসাইল আঘাত হানে।

এতে মামুন মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে তাকে আল খারিজ শহরের ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের মামাতো ভাই শাওন মোড়ল বলেন, বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয়ে মামুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং পরে সেখানেই মারা যান। তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

আব্দুল্লাহ আল মামুনের মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতের স্বজনরা দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, একই ঘটনায় কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন নিহত হন এবং মামুনসহ আরো কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি আহত হন। হামলায় মামুনের শরীরের প্রায় ৭২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় আহত বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু

প্রকাশিত সময় : ১১:৩৬:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় আহত ময়মনসিংহের প্রবাসী আব্দুল্লাহ আল মামুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামুনের বাবা। নিহত মামুন (৩৫) গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে মিসাইল আঘাত হানে।

এতে মামুন মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে তাকে আল খারিজ শহরের ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের মামাতো ভাই শাওন মোড়ল বলেন, বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয়ে মামুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং পরে সেখানেই মারা যান। তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

আব্দুল্লাহ আল মামুনের মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতের স্বজনরা দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, একই ঘটনায় কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন নিহত হন এবং মামুনসহ আরো কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি আহত হন। হামলায় মামুনের শরীরের প্রায় ৭২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।