বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে নওগাঁয় ঈদ উদযাপন

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুসল্লিদের একটি অংশ প্রতি বছরের মতো এবারও একদিন আগে এই উৎসব পালন করছেন।

আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৮টায় উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কলোনিপাড়ায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. কামারুজ্জামান। নামাজে কয়েকটি এলাকার নারী-পুরুষসহ প্রায় ১০০ জন মুসল্লি অংশ নেয়। ঈদের নামাজ আদায়ের পর একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন তারা।

জামাতে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরের মতো এবছরেও ওই এলাকার মুসল্লিদের একটি অংশ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করেছেন। তবে জেলার অধিকাংশ এলাকায় চাঁদ দেখার ভিত্তিতে আগামীকাল ঈদুল ফিতর উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে।

আয়োজক কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, ২০০৫ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছরের মতো এবারও জেলার মহাদেবপুর, ধামইরহাট, পোরশা থেকে মুসল্লি এসে নামাজ আদায় করে। এছাড়াও পাশ্ববর্তী জয়পুরহাট ও বগুড়া থেকেও মুসল্লি আসে।

ঈদের নামাজের ইমাম কামরুজ্জামান বলেন, আজকে বাংলাদেশে শাওয়াল মাসের ১ তারিখ অথচ বাংলাদেশের মানুষ মনে করে এখনো রমজান মাস আছে। সিয়াম রাখতে হবে রমজান মাসে। শাওয়াল মাসে তো ফরজ নয়, ঈদের দিনে সিয়াম রাখা হারাম। আমরা ঈদের দিনে সিয়াম রাখিনা। পহেলা তারিখে ঈদ করার কথা হাদিসে রয়েছে তাই আমরা ঈদের সালাত আদায় করেছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে নওগাঁয় ঈদ উদযাপন

প্রকাশিত সময় : ১২:১৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুসল্লিদের একটি অংশ প্রতি বছরের মতো এবারও একদিন আগে এই উৎসব পালন করছেন।

আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৮টায় উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কলোনিপাড়ায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. কামারুজ্জামান। নামাজে কয়েকটি এলাকার নারী-পুরুষসহ প্রায় ১০০ জন মুসল্লি অংশ নেয়। ঈদের নামাজ আদায়ের পর একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন তারা।

জামাতে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরের মতো এবছরেও ওই এলাকার মুসল্লিদের একটি অংশ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করেছেন। তবে জেলার অধিকাংশ এলাকায় চাঁদ দেখার ভিত্তিতে আগামীকাল ঈদুল ফিতর উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে।

আয়োজক কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, ২০০৫ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছরের মতো এবারও জেলার মহাদেবপুর, ধামইরহাট, পোরশা থেকে মুসল্লি এসে নামাজ আদায় করে। এছাড়াও পাশ্ববর্তী জয়পুরহাট ও বগুড়া থেকেও মুসল্লি আসে।

ঈদের নামাজের ইমাম কামরুজ্জামান বলেন, আজকে বাংলাদেশে শাওয়াল মাসের ১ তারিখ অথচ বাংলাদেশের মানুষ মনে করে এখনো রমজান মাস আছে। সিয়াম রাখতে হবে রমজান মাসে। শাওয়াল মাসে তো ফরজ নয়, ঈদের দিনে সিয়াম রাখা হারাম। আমরা ঈদের দিনে সিয়াম রাখিনা। পহেলা তারিখে ঈদ করার কথা হাদিসে রয়েছে তাই আমরা ঈদের সালাত আদায় করেছি।