রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে ১৪৪ ধারা জারি

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম তারাকান্দা বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের এলাকায় এ আদেশ জারি করেন।

জানা যায়, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান রিয়াদ সরকারের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিএনপির দুই পক্ষ একই সময় ও একই স্থানে পৃথক বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেয়। এতে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিলে প্রশাসন আগাম ব্যবস্থা নেয়। ১৪৪ ধারা অনুযায়ী রোববার দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ওই এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত, মাইক ও শব্দযন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রে অবস্থান বা চলাচল এবং আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র বহনেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা ও সম্ভাব্য সহিংসতা এড়াতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

ময়মনসিংহে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত সময় : ০৭:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম তারাকান্দা বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের এলাকায় এ আদেশ জারি করেন।

জানা যায়, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান রিয়াদ সরকারের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিএনপির দুই পক্ষ একই সময় ও একই স্থানে পৃথক বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেয়। এতে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিলে প্রশাসন আগাম ব্যবস্থা নেয়। ১৪৪ ধারা অনুযায়ী রোববার দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ওই এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত, মাইক ও শব্দযন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রে অবস্থান বা চলাচল এবং আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র বহনেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা ও সম্ভাব্য সহিংসতা এড়াতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।