শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘে নিরাপদ অভিবাসনে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ, জবাবদিহিতা জোরদার এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (৮ মে) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের সাধারণ বিতর্কে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি ‘যিড়ষব-ড়ভ-মড়াবৎহসবহঃ ধহফ যিড়ষব-ড়ভ-ংড়পরবঃু’ পদ্ধতির মাধ্যমে জবাবদিহিতা জোরদার করছে এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারিত করছে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স গঠন এবং ২০২৬ু২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী জানান, প্রথম আইএমআরএফে দেওয়া ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ছয়টি নতুন অঙ্গীকার জমা দিয়েছে এবং দুটি আঞ্চলিক উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের একটি ক্রমবর্ধমান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।

সূত্র: যুগান্তর

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জাতিসংঘে নিরাপদ অভিবাসনে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

প্রকাশিত সময় : ০৯:২৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ, জবাবদিহিতা জোরদার এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (৮ মে) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের সাধারণ বিতর্কে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি ‘যিড়ষব-ড়ভ-মড়াবৎহসবহঃ ধহফ যিড়ষব-ড়ভ-ংড়পরবঃু’ পদ্ধতির মাধ্যমে জবাবদিহিতা জোরদার করছে এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারিত করছে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স গঠন এবং ২০২৬ু২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী জানান, প্রথম আইএমআরএফে দেওয়া ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ছয়টি নতুন অঙ্গীকার জমা দিয়েছে এবং দুটি আঞ্চলিক উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের একটি ক্রমবর্ধমান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।

সূত্র: যুগান্তর