সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রায়ে সন্তুষ্ট রামিসার বাবা, দ্রুত কার্যকরের দাবি

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় ঘটনায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এ রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

 

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডের পাশাপাশি আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে আসামি স্বপ্নাকে দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকার পাবে।

ক্ষতিপূরণ না দিলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ভিকটিম মৃত রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আব্দুল হান্নান মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই রায়ে আমার মনের যে প্রত্যাশা, যে আকাঙ্ক্ষা; সেটা আমি পেয়েছি। ইনশাআল্লাহ, আমি শতভাগ আশাবাদী রায় দ্রুত কার্যকর হবে। আল্লাহ পাকের রহমত ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যে আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিক ও বাংলাদেশের আপামর জনতা, যারা আমার ও আমার পরিবারের বিপদের সময়ে মানসিকভাবে সহায়তা করেছেন সবার কাছে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। অবশ্যই আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

রায়ে সন্তুষ্ট রামিসার বাবা, দ্রুত কার্যকরের দাবি

প্রকাশিত সময় : ০১:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় ঘটনায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এ রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

 

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডের পাশাপাশি আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে আসামি স্বপ্নাকে দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকার পাবে।

ক্ষতিপূরণ না দিলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ভিকটিম মৃত রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আব্দুল হান্নান মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই রায়ে আমার মনের যে প্রত্যাশা, যে আকাঙ্ক্ষা; সেটা আমি পেয়েছি। ইনশাআল্লাহ, আমি শতভাগ আশাবাদী রায় দ্রুত কার্যকর হবে। আল্লাহ পাকের রহমত ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যে আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিক ও বাংলাদেশের আপামর জনতা, যারা আমার ও আমার পরিবারের বিপদের সময়ে মানসিকভাবে সহায়তা করেছেন সবার কাছে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। অবশ্যই আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।’