রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদরদপ্তরের কমান্ডার আলী আবদোল্লাহি বলেন, ‘আমরা ইরানের শত্রুদের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ভুল না করার সতর্কবার্তা দিচ্ছি। আমাদের দেশকে লক্ষ্য করে যেকোনো হুমকি বা আগ্রাসনের জবাবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী কঠোর প্রতিশোধ নেবে।’
বুধবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে ‘হত্যার লক্ষ্যবস্তু’ বলে মন্তব্য করার পর ইরানের জনগণ বা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকির তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেবে তেহরান।
ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, শেষকৃত্যের সময় দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার প্রধান জানান, তেহরান ও মাশহাদসহ কয়েকটি শহরের আকাশসীমায় সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।
খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদরদপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হস্তক্ষেপের জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেবে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘হরমুজ প্রণালি আগ্রাসী আমেরিকার খেলার মাঠ নয়; এটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের অবিসংবাদিত সার্বভৌম ভূখণ্ডের অংশ।’
ফার্স নিউজ এজেন্সির উদ্ধৃতি অনুযায়ী, বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা ইসলামী ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর লাল রেখা।’
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর তেহরান কার্যত হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ আরোপ করে এবং ওই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 




















