বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আনুশকার রেকর্ড ভাঙলেন সামান্থা

দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর নতুন সিনেমা ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পাচ্ছে। মুক্তির মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই ছবিটি ভেঙে দিয়েছে তেলুগু সিনেমার একটি ১৭ বছরের পুরোনো রেকর্ড।

এর মাধ্যমে আনুশকা শেঠির দীর্ঘদিনের একটি কীর্তিকে পেছনে ফেলেছেন এই অভিনেত্রী।

পরিচালক বিভি নন্দিনী রেড্ডির নির্মাণে ১৯ জুন মুক্তি পাওয়া নারীপ্রধান এই সিনেমাটি ইতোমধ্যেই ৭৮ কোটির বেশি রুপি আয় করেছে।

ফলে ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া আনুশকা শেঠি অভিনীত ‘অরুন্ধতী’র ৭০ কোটি রুপির আয়কে ছাড়িয়ে গেছে এটি। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির নারীপ্রধান সিনেমাগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ডটি ছিল ‘অরুন্ধতী’র দখলে।

তবে সামান্থার সামনে এখন আরও বড় লক্ষ্য। তেলুগু ভাষার নারীপ্রধান সিনেমার সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড এখনও রয়েছে ২০১৮ সালের ‘মহনতি’র ঝুলিতে। কীর্তি সুরেশ অভিনীত সেই ছবির আয় ছিল ৮৩ কোটি রুপি।

বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা, বর্তমান গতিধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ সেই রেকর্ডও ভেঙে তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির সর্বোচ্চ আয়কারী নারীপ্রধান সিনেমার তকমা অর্জন করবে।

তেলুগু চলচ্চিত্রে বরাবরই নায়কনির্ভর সিনেমার আধিপত্য দেখা যায়। ১০০, ৫০০ কিংবা ১ হাজার কোটি রুপির ক্লাবে সাধারণত পুরুষ তারকাদের ছবিই জায়গা করে নেয়। সেই বাস্তবতায় নারীপ্রধান একটি সিনেমার এমন বাণিজ্যিক সাফল্যকে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।

প্রসঙ্গত, ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ ছবিতে সামান্থা রুথ প্রভুর পাশাপাশি অভিনয় করেছেন গুলশান দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, চৈতন্য কৃষ্ণ ও শ্রীমুখিসহ আরও অনেকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আনুশকার রেকর্ড ভাঙলেন সামান্থা

আনুশকার রেকর্ড ভাঙলেন সামান্থা

প্রকাশিত সময় : ০৬:৫১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর নতুন সিনেমা ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পাচ্ছে। মুক্তির মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই ছবিটি ভেঙে দিয়েছে তেলুগু সিনেমার একটি ১৭ বছরের পুরোনো রেকর্ড।

এর মাধ্যমে আনুশকা শেঠির দীর্ঘদিনের একটি কীর্তিকে পেছনে ফেলেছেন এই অভিনেত্রী।

পরিচালক বিভি নন্দিনী রেড্ডির নির্মাণে ১৯ জুন মুক্তি পাওয়া নারীপ্রধান এই সিনেমাটি ইতোমধ্যেই ৭৮ কোটির বেশি রুপি আয় করেছে।

ফলে ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া আনুশকা শেঠি অভিনীত ‘অরুন্ধতী’র ৭০ কোটি রুপির আয়কে ছাড়িয়ে গেছে এটি। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির নারীপ্রধান সিনেমাগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ডটি ছিল ‘অরুন্ধতী’র দখলে।

তবে সামান্থার সামনে এখন আরও বড় লক্ষ্য। তেলুগু ভাষার নারীপ্রধান সিনেমার সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড এখনও রয়েছে ২০১৮ সালের ‘মহনতি’র ঝুলিতে। কীর্তি সুরেশ অভিনীত সেই ছবির আয় ছিল ৮৩ কোটি রুপি।

বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা, বর্তমান গতিধারা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ সেই রেকর্ডও ভেঙে তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির সর্বোচ্চ আয়কারী নারীপ্রধান সিনেমার তকমা অর্জন করবে।

তেলুগু চলচ্চিত্রে বরাবরই নায়কনির্ভর সিনেমার আধিপত্য দেখা যায়। ১০০, ৫০০ কিংবা ১ হাজার কোটি রুপির ক্লাবে সাধারণত পুরুষ তারকাদের ছবিই জায়গা করে নেয়। সেই বাস্তবতায় নারীপ্রধান একটি সিনেমার এমন বাণিজ্যিক সাফল্যকে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।

প্রসঙ্গত, ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ ছবিতে সামান্থা রুথ প্রভুর পাশাপাশি অভিনয় করেছেন গুলশান দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, চৈতন্য কৃষ্ণ ও শ্রীমুখিসহ আরও অনেকে।