শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে স্পেন। লামিন ইয়ামাল, দানি ওলমো, পেদ্রি ও আলেক্স বায়েনার সমন্বিত আক্রমণে বারবার চাপে পড়ে অস্ট্রিয়ার রক্ষণভাগ।
তবে ৩৬ মিনিটে আর অপেক্ষা করতে হয়নি স্পেনকে। মাঝমাঠ থেকে পেদ্রির চমৎকার দৌড়ের পর বল পৌঁছে যায় বাম প্রান্তে থাকা কুকুরেয়ার কাছে। তার নিখুঁত নিচু ক্রসে কাছ থেকে বাঁ পায়ের শটে জাল খুঁজে নেন ওয়ারজাবাল। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্পেন।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগও পেয়েছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। আলেক্স বায়েনার দারুণ ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে ইয়ামালের কাছ থেকে নেওয়া শটও অসাধারণ সেভে রুখে দেন শ্লাগার।
এর পাঁচ মিনিট পরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় স্পেন। ৬৬ মিনিটে কুকুরেয়া বল উদ্ধার করে বাম দিকে থাকা বায়েনার কাছে পাঠান। তার নিখুঁত ক্রসে দৌড়ে এসে হেডে গোল করেন পেদ্রো পোরো। স্পেনের জার্সিতে এটিই ছিল এই ডিফেন্ডারের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও হাল ছাড়েনি অস্ট্রিয়া। ৭৯ মিনিটে কার্নি চুকুয়েমেকার শট অল্পের জন্য বাইরে চলে গেলে ব্যবধান কমানোর সুযোগ হাতছাড়া হয় তাদের।
ম্যাচের ৮৯ মিনিটে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন ওয়ারজাবাল। বাম দিক দিয়ে উঠে এসে কুকুরেয়ার দেওয়া নিচু ক্রস থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোল করেন তিনি। ম্যাচে দ্বিতীয় অ্যাসিস্টও তুলে নেন কুকুরেয়া।
শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের দাপুটে জয় নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করে স্পেন। বলের দখল, সুযোগ সৃষ্টি এবং আক্রমণের ধার—সব বিভাগেই অস্ট্রিয়াকে স্পষ্টভাবে ছাড়িয়ে যায় লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























