আর্থিক লেনদেনে জালিয়াতি, কর ফাঁকি এবং অর্থপাচারের অভিযোগে সংস্থাটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ডিসি ও মায়ামির ফেডারেল প্রসিকিউটরদের সঙ্গে যৌথভাবে তদন্ত করছে এফবিআই। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, এএফএর আন্তর্জাতিক স্পন্সরশিপ ও বাণিজ্যিক আয় থেকে আসা কয়েকশ’ মিলিয়ন ডলার কিভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়েছে।
বিশেষভাবে নজরে রয়েছে ফ্লোরিডাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্যুরপ্রোডএন্টার এলএলসি। বিদেশে এএফএর বিপণন আয় ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল এই প্রতিষ্ঠান। লা নাসিওনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গোপন ব্যাংকিং নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এএফএর অন্তত ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ফ্লোরিডার একাধিক শেল কোম্পানির মাধ্যমে স্থানান্তর করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই তদন্ত এমন সময় শুরু হলো, যখন নিজ দেশ আর্জেন্টিনাতেও দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের মুখে রয়েছে এএফএ। দেশটির কর ও শুল্ক সংস্থা এআরসিএ’র তদন্তের ভিত্তিতে এরই মধ্যে এএফএর সদর দপ্তর, জাতীয় দলের অনুশীলন কেন্দ্র এবং রেসিং ক্লাব ও সান লরেঞ্জোসহ ১৭টি পেশাদার ক্লাবে একযোগে ৩০টির বেশি অভিযান চালানো হয়েছে।
তদন্তে একটি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থপাচারের অভিযোগও উঠে এসেছে। এছাড়া পৃথক একটি ১ কোটি ৩০ লাখ ডলারের কর ফাঁকি মামলায় এএফএ সভাপতি ক্লদিও ‘চিকি’ তাপিয়া এবং কোষাধ্যক্ষ পাবলো তোভিগিনোর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেছেন এক আর্জেন্টাইন ফেডারেল বিচারক। ওই মামলায় তাদের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে এবং ২০২৫ সালের শেষ দিকে সাময়িকভাবে বিদেশ ভ্রমণেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
তবে অর্থপাচার বা আর্থিক জালিয়াতির সব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এএফএ দাবি করে, এসব অভিযোগ ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও ভিত্তিহীন সাংবাদিকতামূলক প্রতিবেদ ‘ ছাড়া কিছু নয়।
সূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























