টুর্নামেন্টের কোনো কোনো ম্যাচে হয়তো তাদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ভুগতে হয়েছে; যেমনটা দেখা গেছে মিশরের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয়ের ম্যাচে; তা সত্ত্বেও নিজেদের চেনা ছন্দ ও শক্তি ধরে রেখেছে আলবিসেলেস্তেরা।
এই মুহূর্তে তিনটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যানে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা: সর্বোচ্চ গোল, সর্বোচ্চ পাস এবং পাসের নিখুঁততা। প্রথম পরিসংখ্যানটি প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের ভয়ংকর রূপকে তুলে ধরে।
ফ্রান্সের সঙ্গে যৌথভাবে চলতি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৪টি গোল করেছে আর্জেন্টিনা। আর এই গোলবন্যার সিংহভাগ কৃতিত্ব লিওনেল মেসির, যিনি ইতোমধ্যে ৮ গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে রয়েছেন।
শুধু পাসের সংখ্যার দিক থেকেই নয়, বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে নিখুঁতভাবে সতীর্থদের কাছে বল পৌঁছানোর ক্ষেত্রেও শীর্ষে আলবিসেলেস্তেরা। ৯১ শতাংশ পাসের সফলতার হার নিয়ে তারা টেবিলের সবার ওপরে। স্পেনও অবশ্য সমান ৯১ শতাংশ নিখুঁত পাস দিয়েছে, তবে সংখ্যার বিচারে তারা আর্জেন্টিনার চেয়ে পিছিয়ে। আর ৮৯ শতাংশ নিখুঁত পাস নিয়ে এই তালিকার তিনে আছে মরক্কো।
এই পরিসংখ্যান পরিষ্কার প্রমাণ করে যে, আর্জেন্টিনা কেবল মাঠজুড়ে বলের আদান-প্রদানই বেশি করছে না, বরং পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে ভুলও করছে সবচেয়ে কম। এটিই স্কালোনির ফুটবল দর্শনের মূল ভিত্তি; যেখানে দল বলের নিয়ন্ত্রণ রেখে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে রাখবে এবং বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ না হারিয়েই প্রতিপক্ষের ওপর আক্রমণ চালাবে।
মজার বিষয় হলো, পরিসংখ্যানে আধিপত্য বিস্তার করা এই চারটি দল আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও মরক্কো।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























