মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়ে বলেছেন, “এমনকি এখনও বিভিন্ন ধ্বংস্তূপের তলায় আটকা পড়া লোকজন উদ্ধারের জন্য অপেক্ষা করছেন। আমাদের সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে, কারণ এখন প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। আটকা পড়া লোকজনকে উদ্ধারে আমরা আমাদের সমস্ত সক্ষমতা প্রয়োগ করব।”
সাগরের অগভীর অংশে ভূমিকম্প হওয়ায় ভূপৃষ্ঠে এটির ব্যাপক কম্পন অনুভূত হয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুমামোতো জেলা।ভূমিকম্পে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে জেলার ৩৬ হাজারেরও বেশি বাড়িঘর। সড়কগুলোর অবস্থাও বেহাল। পুরো জেলায় এমন কোনো সড়ক প্রায় নেই, যেটিতে ফাটল দেখা দেয়নি।
ভূমিকম্পের অল্প সময় পরেই অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয় কুমামোতোর বিভিন্ন এলাকার ধ্বংসস্তূপগুলোতে। উদ্ধারকর্মীদের রাতভর প্রচেষ্টায় আজ বুধবার স্থানীয় সময় সকাল পর্যন্ত এই ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
বড় মাত্রার ভূমিকম্পের পর ‘আফটারশক’- এর আশঙ্কা থাকে। এ কারণে শহরের অনেক বাসিন্দা এখনও ভূমিকম্প আশ্রয়কেন্দ্রে রয়ে গেছেন।
কুমামোতো কিউশুর বৃহত্তম জেলা শহর। প্রায় ৭ লাখ মানুষ বসবাস করেন শহরটিতে।
এদিকে হাজার হাজার বাড়িঘর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকা এবং তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রিতে পৌঁছানোয় শহরের বাসিন্দারা হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিতে আছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নগর কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: রয়টার্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 






















