বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মমতা ব্যানার্জির ভাইঝির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

আত্মহত্যা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি। বীরভূম জেলায় নিজের বাড়ির দোতালায় উদ্ধার হয়েছে মরদেহ।

মঙ্গলবার সকালে বীরভূমের রামপুরহাট থানার কুসুম্বা গ্রামে নিজের বাড়ির দোতলায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় মমতা ব্যানার্জির মামাতো ভাই নিহার মুখার্জির মেয়ে বৃষ্টি মুখার্জির দেহ। রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামারবাড়ি। নীহার মুখোপাধ্যায় রামপুরহাটের ১ নং ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ছিলেন।

সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় কাপড়ের ফাঁস দিয়ে বৃষ্টি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে আত্মহত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি।

দুর্নীতির মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল বৃষ্টি মুখার্জির বিরুদ্ধে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ানোয় গ্রুপ সি-এর চাকরিটি হারিয়েছিলেন তিনি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরুর পর স্ক্যানারে আসেন তিনি।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পেশ করা প্রমাণ অনুযায়ী, গ্রুপ সি পরীক্ষার ওএমআর শিটে ৯০ শতাংশই গরমিল ছিল। অর্থাৎ তাতে কারচুপি করে স্বজনপোষণের মাধ্যমে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে অনেককে। তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে দুর্নীতি করে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে উঠে আসে বৃষ্টির নাম। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার পর বৃষ্টি চাকরি হারান।

সম্প্রতি বৃষ্টির স্বামীর সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছিল। পরিবারের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরে চরম মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বৃষ্টি । তার চিকিৎসা চলছিল। নিজের ঘরে একাই থাকতেন তিনি।

পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

মমতা ব্যানার্জির ভাইঝির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

প্রকাশিত সময় : ০৯:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আত্মহত্যা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি। বীরভূম জেলায় নিজের বাড়ির দোতালায় উদ্ধার হয়েছে মরদেহ।

মঙ্গলবার সকালে বীরভূমের রামপুরহাট থানার কুসুম্বা গ্রামে নিজের বাড়ির দোতলায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় মমতা ব্যানার্জির মামাতো ভাই নিহার মুখার্জির মেয়ে বৃষ্টি মুখার্জির দেহ। রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামারবাড়ি। নীহার মুখোপাধ্যায় রামপুরহাটের ১ নং ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ছিলেন।

সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় কাপড়ের ফাঁস দিয়ে বৃষ্টি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে আত্মহত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি।

দুর্নীতির মাধ্যমে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল বৃষ্টি মুখার্জির বিরুদ্ধে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ানোয় গ্রুপ সি-এর চাকরিটি হারিয়েছিলেন তিনি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরুর পর স্ক্যানারে আসেন তিনি।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পেশ করা প্রমাণ অনুযায়ী, গ্রুপ সি পরীক্ষার ওএমআর শিটে ৯০ শতাংশই গরমিল ছিল। অর্থাৎ তাতে কারচুপি করে স্বজনপোষণের মাধ্যমে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে অনেককে। তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে দুর্নীতি করে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে উঠে আসে বৃষ্টির নাম। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার পর বৃষ্টি চাকরি হারান।

সম্প্রতি বৃষ্টির স্বামীর সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছিল। পরিবারের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরে চরম মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বৃষ্টি । তার চিকিৎসা চলছিল। নিজের ঘরে একাই থাকতেন তিনি।

পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে।