খুলনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের গুলশান-২ আবাসিক এলাকায় ২৭ কাঠা সরকারি প্লট আত্মসাতের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেছেন আদালত।আজ সোমবার মামলার বাদী দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক ইয়াছির আরাফাত এ মামলায় আদালতে জবানবন্দি দেন।
ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ মো. আব্দুস সালাম জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর আসামি মাহবুবুল হকের পক্ষে আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম জেরা শুরু করেন। তবে অন্যান্য আসামিদের পক্ষে জেরার জন্য সময় আবেদন থাকায় আগামী ১ নভেম্বর অবশিষ্ট জেরার জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।
এর আগে, গত ৬ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত।
মামলার অপর আসামিরা হলেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম ও প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) লে. কর্নেল (অব.) এম নুরুল হক, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁঞা, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, সাবেক শাখা সহকারী মো. মাহবুবুল হক এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছার, ইফফাত হক ও তার স্বামী মোহাম্মদ আব্দুল মঈন।
গুলশানে পরিত্যক্ত প্লট দখলের অভিযোগে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। তবে এ মামলা থেকে সালাম মুর্শেদীকে বাদ দেওয়া হয়। গত ৩১ ডিসেম্বর সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।
মামলার অভিযোগ পত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ও সরকারি কর্মচারী হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং অসৎ উদ্দেশ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে খ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি) ২৭নং, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৪ প্লটটি পরিত্যক্ত ২৭ কাঠা সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জাল জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। যা পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 






















