বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নূপুর আহসানের ‘আয়না’ ও স্বপ্নযাত্রা

দেশের শোবিজ মিডয়ায় এই সময়ের অত্যন্ত সম্ভাবনাময় অভিনেত্রী হিসেবে নিজের মেধাকে তুলে ধরছেন নূপুর আহসান। দীপ্ত স্টার-হান্টের মঞ্চ থেকে সরাসরি টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘পরম্পরা’র রাশা। তারপর একের পর এক নতুন চরিত্রে নিজেকে আবিষ্কার। নূপুর আহসানের অভিনয়যাত্রা যেন সম্ভাবনাময় এক শিল্পীর স্বপ্ন ছুঁয়ে দেখার গল্প। যে গল্পের প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে নতুন পরিচয়, নতুন অভিজ্ঞতা আর নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যয়।

শোবিজে আসা যায়, কিন্তু নিজের জন্য আলাদা একটি জায়গা তৈরি করা সহজ নয়। সেখানে প্রতিভার পাশাপাশি প্রয়োজন পরিশ্রম, ধৈর্য, নিষ্ঠা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সুযোগের। নূপুরের পথচলাতেও রয়েছে সেই চ্যালেঞ্জ, নিজেকে ভাঙা-গড়ার নিরন্তর চেষ্টা আর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয় ।

‘পরম্পরা’ শেষ হতে না হতেই শুরু হয় নতুন অধ্যায়। আর সেই অধ্যায়ের নাম ‘আয়না’। গুণী নির্মাতা মুরাদ পারভেজের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত এই নাটকে ‘নোরা’ চরিত্রে নূপুরকে দেখা যাবে নতুন এক আঙ্গিকে। ৩০ অক্টোবর এনটিভির ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারের অপেক্ষায় থাকা নাটকটি ঘিরে তাই তার নতুন এক প্রত্যাশা।

নোরা চরিত্রর পর ‘চেনাগল্প’র প্রকৃতি, আর ‘চাঁদের কপালে চাঁদ’-এর মোনামি। নাম আলাদা, চরিত্র আলাদা, অনুভবও আলাদা। প্রতিটি চরিত্র যেন নূপুরের অভিনয়জীবনের ক্যানভাসে আঁকা একেকটি স্বতন্ত্র ছবি। আর এই যাত্রায় মুরাদ পারভেজের মতো অভিজ্ঞ নির্মাতার সঙ্গে কাজ করা নূপুরের জন্য নিঃসন্দেহে বিশেষ প্রাপ্তি। একজন নির্মাতার গল্প বলার নিজস্ব ভাষা, চরিত্র নির্মাণের গভীরতা এবং অভিনয়শিল্পীর কাছ থেকে নতুন কিছু বের করে আনার প্রক্রিয়া-সবকিছুই একজন শিল্পীর অভিজ্ঞতার ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করে। নূপুরের ক্ষেত্রেও এই অভিজ্ঞতা হয়ে উঠতে পারে আগামী দিনের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।

হাতে রয়েছে সাতটি নতুন প্রজেক্ট। নির্মাতা হিসেবে রয়েছেন মুরাদ পারভেজ, রুদ্র বিপ্লব ও ধ্রুব আহমেদ। ফিল্মহকারের এই নতুন কাজগুলো ঘিরে নূপুরের প্রত্যাশা অনেক। কারণ কখনো কখনো প্রতিটি নতুন চরিত্রই হয়ে ওঠে নিজের ভেতরের অচেনা শিল্পীকে আবিষ্কারের এক একটি আয়না।

এই পথচলায় নূপুর কৃতজ্ঞ দীপ্ত টেলিভিশন, ‘পরম্পরা’র নির্মাতা, সহশিল্পী ও কলাকুশলীদের প্রতি। বিশেষ কৃতজ্ঞতা তাঁর পরিবারের প্রতি-যাঁদের সহযোগিতা, ভালোবাসা ছাড়া এই যাত্রা এতটা সহজ হতো না। আর দর্শকদের ভালোবাসা একজন শিল্পীর এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে সুন্দর প্রেরণাগুলোর একটি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নূপুর আহসানের ‘আয়না’ ও স্বপ্নযাত্রা

প্রকাশিত সময় : ১০:৫০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

দেশের শোবিজ মিডয়ায় এই সময়ের অত্যন্ত সম্ভাবনাময় অভিনেত্রী হিসেবে নিজের মেধাকে তুলে ধরছেন নূপুর আহসান। দীপ্ত স্টার-হান্টের মঞ্চ থেকে সরাসরি টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘পরম্পরা’র রাশা। তারপর একের পর এক নতুন চরিত্রে নিজেকে আবিষ্কার। নূপুর আহসানের অভিনয়যাত্রা যেন সম্ভাবনাময় এক শিল্পীর স্বপ্ন ছুঁয়ে দেখার গল্প। যে গল্পের প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে নতুন পরিচয়, নতুন অভিজ্ঞতা আর নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যয়।

শোবিজে আসা যায়, কিন্তু নিজের জন্য আলাদা একটি জায়গা তৈরি করা সহজ নয়। সেখানে প্রতিভার পাশাপাশি প্রয়োজন পরিশ্রম, ধৈর্য, নিষ্ঠা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সুযোগের। নূপুরের পথচলাতেও রয়েছে সেই চ্যালেঞ্জ, নিজেকে ভাঙা-গড়ার নিরন্তর চেষ্টা আর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয় ।

‘পরম্পরা’ শেষ হতে না হতেই শুরু হয় নতুন অধ্যায়। আর সেই অধ্যায়ের নাম ‘আয়না’। গুণী নির্মাতা মুরাদ পারভেজের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত এই নাটকে ‘নোরা’ চরিত্রে নূপুরকে দেখা যাবে নতুন এক আঙ্গিকে। ৩০ অক্টোবর এনটিভির ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারের অপেক্ষায় থাকা নাটকটি ঘিরে তাই তার নতুন এক প্রত্যাশা।

নোরা চরিত্রর পর ‘চেনাগল্প’র প্রকৃতি, আর ‘চাঁদের কপালে চাঁদ’-এর মোনামি। নাম আলাদা, চরিত্র আলাদা, অনুভবও আলাদা। প্রতিটি চরিত্র যেন নূপুরের অভিনয়জীবনের ক্যানভাসে আঁকা একেকটি স্বতন্ত্র ছবি। আর এই যাত্রায় মুরাদ পারভেজের মতো অভিজ্ঞ নির্মাতার সঙ্গে কাজ করা নূপুরের জন্য নিঃসন্দেহে বিশেষ প্রাপ্তি। একজন নির্মাতার গল্প বলার নিজস্ব ভাষা, চরিত্র নির্মাণের গভীরতা এবং অভিনয়শিল্পীর কাছ থেকে নতুন কিছু বের করে আনার প্রক্রিয়া-সবকিছুই একজন শিল্পীর অভিজ্ঞতার ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করে। নূপুরের ক্ষেত্রেও এই অভিজ্ঞতা হয়ে উঠতে পারে আগামী দিনের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।

হাতে রয়েছে সাতটি নতুন প্রজেক্ট। নির্মাতা হিসেবে রয়েছেন মুরাদ পারভেজ, রুদ্র বিপ্লব ও ধ্রুব আহমেদ। ফিল্মহকারের এই নতুন কাজগুলো ঘিরে নূপুরের প্রত্যাশা অনেক। কারণ কখনো কখনো প্রতিটি নতুন চরিত্রই হয়ে ওঠে নিজের ভেতরের অচেনা শিল্পীকে আবিষ্কারের এক একটি আয়না।

এই পথচলায় নূপুর কৃতজ্ঞ দীপ্ত টেলিভিশন, ‘পরম্পরা’র নির্মাতা, সহশিল্পী ও কলাকুশলীদের প্রতি। বিশেষ কৃতজ্ঞতা তাঁর পরিবারের প্রতি-যাঁদের সহযোগিতা, ভালোবাসা ছাড়া এই যাত্রা এতটা সহজ হতো না। আর দর্শকদের ভালোবাসা একজন শিল্পীর এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে সুন্দর প্রেরণাগুলোর একটি।