রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাহিদার চেয়ে ২১ লাখ বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে কোরবানির পশুর কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, দেশের চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত গবাদিপশু প্রস্তুত থাকায় বিদেশ থেকে পশু আমদানির প্রয়োজন হবে না।

শনিবার (২৩ মে) রাতে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ডাচ ডেইরি ফার্ম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে কোরবানির জন্য ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৪ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। অন্যদিকে সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ২ লাখ পশু। সে হিসেবে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২১ লাখ ৩৪ হাজার পশু বেশি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বাজার এখন আর বাইরের দেশের পশুর ওপর নির্ভরশীল নয়। দেশের খামারিরাই এখন স্থানীয় চাহিদা পূরণে সক্ষম।

দেশে আধুনিক ডেইরি খামারের সংখ্যা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাণিসম্পদ খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এবং ভবিষ্যতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও বড় ভূমিকা রাখবে। খামারিদের জন্য পরিচয়পত্র প্রদান, ঋণসুবিধা এবং আধুনিক প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা শুধু দেশের চাহিদা পূরণ নয়, ভবিষ্যতে বিদেশে মাংস ও পশু রপ্তানির সক্ষমতা তৈরি করা। এ লক্ষ্যে খামারিদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শন শেষে তিনি শিমুলিয়ায় ‘প্রজেক্ট হিলশা’ ঘুরে দেখেন এবং পরে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

এ সময় মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চাহিদার চেয়ে ২১ লাখ বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত সময় : ১০:১২:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে কোরবানির পশুর কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, দেশের চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত গবাদিপশু প্রস্তুত থাকায় বিদেশ থেকে পশু আমদানির প্রয়োজন হবে না।

শনিবার (২৩ মে) রাতে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ডাচ ডেইরি ফার্ম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে কোরবানির জন্য ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৪ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। অন্যদিকে সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ২ লাখ পশু। সে হিসেবে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২১ লাখ ৩৪ হাজার পশু বেশি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বাজার এখন আর বাইরের দেশের পশুর ওপর নির্ভরশীল নয়। দেশের খামারিরাই এখন স্থানীয় চাহিদা পূরণে সক্ষম।

দেশে আধুনিক ডেইরি খামারের সংখ্যা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাণিসম্পদ খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এবং ভবিষ্যতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও বড় ভূমিকা রাখবে। খামারিদের জন্য পরিচয়পত্র প্রদান, ঋণসুবিধা এবং আধুনিক প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা শুধু দেশের চাহিদা পূরণ নয়, ভবিষ্যতে বিদেশে মাংস ও পশু রপ্তানির সক্ষমতা তৈরি করা। এ লক্ষ্যে খামারিদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শন শেষে তিনি শিমুলিয়ায় ‘প্রজেক্ট হিলশা’ ঘুরে দেখেন এবং পরে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

এ সময় মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।