বোর্ডের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, চারজন মরক্কোর সামরিক কর্মকর্তা ১৮ জুন দক্ষিণ ইসরায়েলে অবস্থিত আইএসএফের সদর দপ্তরে পৌঁছান।
বোর্ড অব পিস এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক পোস্টে বলেছে, ‘তাদের আগমন গাজার জনগণকে সহায়তা করার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করেছে।’
ফেব্রুয়ারিতে মরক্কো গাজা উপত্যকায় পুলিশ ও সামরিক সদস্য পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। প্রকাশ্যে এ ধরনের ঘোষণা দেওয়া প্রথম আরব দেশ ছিল মরক্কো।
তবে বাস্তবে এই পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়ন এবং আইএসএফকে গাজায় মোতায়েনের ক্ষেত্রে এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়নি।
ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সমর্থন পায় এবং এর ফলে অক্টোবরে কার্যকর হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপে ধীরে ধীরে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং আইএসএফ মোতায়েনের কথা রয়েছে। যদিও এ নিয়ে একাধিকবার ঘোষণা ও আলোচনা হয়েছে, বাহিনীটি এখনো বাস্তবে মোতায়েন করা যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে হামাসের প্রতিরোধ যোদ্ধারা ইসরায়েলি বাহিনীর দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়।
হামাস প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের স্থায়ী অবসান ঘটানোর প্রচেষ্টাও অচলাবস্থায় রয়েছে।
হামাস-পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে অন্তত ১,০২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 
























