অপটার ২৫ হাজার ম্যাচ-সিমুলেশনের ফল অনুযায়ী, যেকোনো উপায়ে সেমিফাইনালে ওঠার ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের সম্ভাবনা ৬২.৩ শতাংশ। অন্যদিকে নরওয়ের সম্ভাবনা ৩৭.৭ শতাংশ।
নরওয়ের জন্য এটি এক নতুন অধ্যায়। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো বড় টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার-ফাইনালে খেলছে তারা। শেষ ষোলোতে বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিলকে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণও দিয়েছে নরওয়েজিয়ানরা।
এ পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে চারটি জয় পেয়েছে নরওয়ে। একমাত্র হারটি এসেছে গ্রুপ পর্বে ফ্রান্সের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে কোচ স্টালে সোলবাকেন মূল একাদশে ১০টি পরিবর্তন এনে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়েছিলেন। পরে নকআউট পর্বে আইভরি কোস্ট ও ব্রাজিলকে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করে দলটি।
নরওয়ের সবচেয়ে বড় ভরসা আর্লিং হালান্ড। বিশ্বকাপে প্রথম চার ম্যাচেই গোল করা এই স্ট্রাইকার এখন পর্যন্ত ১৮টি শট থেকে সাত গোল করেছেন। তার চারটি গোলই ছিল ম্যাচজয়ী।
আন্তর্জাতিক ফুটবলেও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন হালান্ড। নরওয়ের হয়ে ৫৪ ম্যাচে তার গোল ৬২টি। প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে টানা ১৪ ম্যাচে গোল করে করেছেন ২৭টি গোল।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের আক্রমণের প্রধান অস্ত্র হ্যারি কেইন। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে ছয় গোল নিয়ে হালান্ডের ঠিক পেছনেই আছেন তিনি। বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে ১২ ম্যাচে তার গোল ১১টি।
এ ছাড়া জুড বেলিংহ্যামও রয়েছেন দুর্দান্ত ফর্মে। মেক্সিকোর বিপক্ষে জোড়া গোলসহ এই বিশ্বকাপে ইতোমধ্যে চারবার জালের দেখা পেয়েছেন তিনি।
দুই দলের মুখোমুখি ১২ দেখায় ইংল্যান্ড জিতেছে আটটি ম্যাচ। নরওয়ের জয় মাত্র দুটি, আর দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সর্বশেষ চার সাক্ষাতে নরওয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোনো গোলও করতে পারেনি।
তবে নকআউট পর্বে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক রেকর্ড খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। অন্যদিকে বিশ্বকাপে ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে এখনো জয় পায়নি নরওয়ে।
সব মিলিয়ে পরিসংখ্যান, অভিজ্ঞতা এবং অপটার সুপার কম্পিউটারের পূর্বাভাস—সবকিছুই বলছে, প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ হওয়ার দৌড়ে নরওয়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ইংল্যান্ড।

স্পোর্টস ডেস্ক/ ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 

























