ফলে শনিবার নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের পাশাপাশি ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচেও খেলতে পারবেন না এই ডিফেন্ডার।
সাধারণত সরাসরি লাল কার্ডের জন্য এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও, ঘটনাটির গুরুত্ব বিবেচনায় শাস্তি আরও কঠোর করেছে ফিফা। ইংল্যান্ডের পক্ষ থেকে লাল কার্ড বাতিল বা শাস্তি কমানোর আবেদন করা হলেও তা গ্রহণ করা হয়নি।
কোয়ানসাহর অনুপস্থিতিতে রক্ষণভাগ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেলকে। বিশেষ করে রাইট-ব্যাক পজিশনে বিকল্প খুঁজে পাওয়া এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
নরওয়ের বিপক্ষে জেড স্পেন্সকে রাইট-ব্যাক হিসেবে দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে ইংল্যান্ড ফাইনালে উঠতে পারলে সেখানে খেলতে কোনো বাধা থাকবে না কোয়ানসাহর। তার দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কোয়ার্টার ফাইনাল এবং সম্ভাব্য সেমিফাইনাল পর্যন্তই সীমাবদ্ধ।
অবশ্য নরওয়ের কাছে ইংল্যান্ড বিদায় নিলে নিষেধাজ্ঞার অবশিষ্ট অংশ তাদের পরবর্তী অফিসিয়াল আন্তর্জাতিক ম্যাচে কার্যকর হবে। ইংলিশদের লক্ষ্য অবশ্য নরওয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনাল পেরিয়ে আগামী ১৯ জুলাই অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া।

স্পোর্টস ডেস্ক/ ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 

























