মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ দ্বিতীয়বারের মতো ঢাবিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

সরকার গঠনের পর আজ দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

এদিন আইসিটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া সূচনা বক্তব্য দেবেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ও অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. মোরশেদ হাসান খান স্বাগত বক্তব্য রাখবেন।

অনুষ্ঠানের শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এরপর সফল স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্ব ‘গল্প নয়, সত্যি’ অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে স্টার্টআপ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে নির্বাচিত স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করা হবে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হবে ‘ন্যাশনাল স্টার্টআপ অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ প্ল্যাটফর্ম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি উদ্যোক্তাদের জন্য জাতীয় পর্যায়ের একটি সমন্বিত সেবা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা সহজেই সরকারি সহায়তা কর্মসূচি, আবেদন প্রক্রিয়া, প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ, বিনিয়োগের সুযোগ, অংশীদার প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবা একক প্ল্যাটফর্মে পাবেন।

উদ্যোক্তা উন্নয়নে সমন্বয় জোরদার, সেবা সহজীকরণ এবং কার্যকর জাতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

আইসিটি বিভাগ বর্তমানে তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দিতে, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গবেষণা উৎসাহিত করা এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে বিভিন্ন সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

প্রাথমিক ধারণা, প্রশিক্ষণ ও মেন্টরিং থেকে শুরু করে অর্থায়ন, বিনিয়োগ সংযোগ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণ পর্যন্ত উদ্যোক্তাদের পুরো যাত্রাপথে সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণ ও নারীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানো এখন জাতীয় অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিগত রূপান্তরের জন্য স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সম্ভাবনাময় উদ্ভাবনী উদ্যোগে অর্থায়ন ও সহায়তা দিতে ইতোমধ্যে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড গঠন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে দুপুর ১টা থেকে অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এর আগে গত ১২ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের উদ্যোগে ‘ট্রান্সফরমিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্স’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশ নেন তারেক রহমান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

আজ দ্বিতীয়বারের মতো ঢাবিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত সময় : ১০:৫০:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সরকার গঠনের পর আজ দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

এদিন আইসিটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া সূচনা বক্তব্য দেবেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ও অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. মোরশেদ হাসান খান স্বাগত বক্তব্য রাখবেন।

অনুষ্ঠানের শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এরপর সফল স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্ব ‘গল্প নয়, সত্যি’ অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে স্টার্টআপ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে নির্বাচিত স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করা হবে।

অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হবে ‘ন্যাশনাল স্টার্টআপ অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ প্ল্যাটফর্ম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি উদ্যোক্তাদের জন্য জাতীয় পর্যায়ের একটি সমন্বিত সেবা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা সহজেই সরকারি সহায়তা কর্মসূচি, আবেদন প্রক্রিয়া, প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ, বিনিয়োগের সুযোগ, অংশীদার প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবা একক প্ল্যাটফর্মে পাবেন।

উদ্যোক্তা উন্নয়নে সমন্বয় জোরদার, সেবা সহজীকরণ এবং কার্যকর জাতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

আইসিটি বিভাগ বর্তমানে তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দিতে, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গবেষণা উৎসাহিত করা এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে বিভিন্ন সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

প্রাথমিক ধারণা, প্রশিক্ষণ ও মেন্টরিং থেকে শুরু করে অর্থায়ন, বিনিয়োগ সংযোগ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণ পর্যন্ত উদ্যোক্তাদের পুরো যাত্রাপথে সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণ ও নারীদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানো এখন জাতীয় অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিগত রূপান্তরের জন্য স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সম্ভাবনাময় উদ্ভাবনী উদ্যোগে অর্থায়ন ও সহায়তা দিতে ইতোমধ্যে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড গঠন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে দুপুর ১টা থেকে অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এর আগে গত ১২ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের উদ্যোগে ‘ট্রান্সফরমিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্স’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশ নেন তারেক রহমান।