সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট জাতীয় সমস্যা, সরকার এটি তৈরি করেনি

দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, “সরকার ৬ মাসে বিদ্যুৎ-জ্বালানির জটিলতা তৈরি করেনি। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিকভাবে ভুল পথে আন্দোলন-সংগ্রাম করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়।”

তিনি বলেন, “জুলাই-পরবর্তী সময়ে সবাই মিলে বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করার যে ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে; সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। যে যেখানে আছে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।”

রবিবার (৩০ আগস্ট) পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিসি এসব কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৭৫-পরবর্তী বাংলাদেশে একটি অস্থির সময়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সে সময় তিনি বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জে ঘুরে ঘুরে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে রাষ্ট্র বিনির্মাণে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও একইভাবে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে পাড়া-মহল্লায় ছুটছেন।”

তিনি বলেন, “আগে বলা হতো দেশের রাষ্ট্রনীতি ভারত নির্ভর। সরকার সেখান থেকে শক্তভাবে সরে এসেছে। এখন বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে তার পররাষ্ট্রনীতি বিবেচনা করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, “ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ছয় লেন সড়ক এবং রেল সংযোগ বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। এখানে পোর্ট এবং ইপিজেট যদি একটিভ হয় তাহলে দক্ষিণাঞ্চলের সরাসরি এক লক্ষ লোকের এবং পরোক্ষভাবে আরো দুই-তিন লক্ষ লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট জাতীয় সমস্যা, সরকার এটি তৈরি করেনি

প্রকাশিত সময় : ০৮:২৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, “সরকার ৬ মাসে বিদ্যুৎ-জ্বালানির জটিলতা তৈরি করেনি। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিকভাবে ভুল পথে আন্দোলন-সংগ্রাম করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়।”

তিনি বলেন, “জুলাই-পরবর্তী সময়ে সবাই মিলে বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করার যে ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে; সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। যে যেখানে আছে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।”

রবিবার (৩০ আগস্ট) পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিসি এসব কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৭৫-পরবর্তী বাংলাদেশে একটি অস্থির সময়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সে সময় তিনি বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জে ঘুরে ঘুরে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে রাষ্ট্র বিনির্মাণে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও একইভাবে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে পাড়া-মহল্লায় ছুটছেন।”

তিনি বলেন, “আগে বলা হতো দেশের রাষ্ট্রনীতি ভারত নির্ভর। সরকার সেখান থেকে শক্তভাবে সরে এসেছে। এখন বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে তার পররাষ্ট্রনীতি বিবেচনা করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, “ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ছয় লেন সড়ক এবং রেল সংযোগ বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। এখানে পোর্ট এবং ইপিজেট যদি একটিভ হয় তাহলে দক্ষিণাঞ্চলের সরাসরি এক লক্ষ লোকের এবং পরোক্ষভাবে আরো দুই-তিন লক্ষ লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।”