বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩ বছর ধরে চলছে ধর্ষণ !

টানা তিন বছর ধরে চলেছে কিশোরীকে ধর্ষণ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে উত্তেজক নাচও করতে হয়েছে।

তাদের বাড়ি বর্ধমান। সংসারে অভাব থাকায় তারা স্টেশনে গিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করে পেট চালাতেন। তাদের অভিযোগ, সেই সময় লিলু নামে এক ব্যক্তি তাদের বেশি টাকা আয় করার প্রলোভন দিয়েছিল। সংসারের অভাব মেটাতে টাকা আয় করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি তারা। এর জন্য লিলুর সঙ্গে তারা বিহারে চলে যায়

অভিযোগ, তারপরেই লিলু তাদের বিক্রি করে দেয়। সেখানে টানা তিন বছর ধরে তাদের ওপর যৌন নিগ্রহ চলেছে। সেইসঙ্গে উত্তেজক নাচ করতে হয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দীর্ঘদিন ধরেই সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করছিল ১৬ বছরের কিশোরী এবং ২১ বছরের যুবতী। অবশেষে বুধবার সেখান থেকে তারা পালাতে সক্ষম হন। বিহার থেকে সরাসরি ট্রেনে করে চুঁচুড়া আদালতে চলে আসেন দুজনে।

সেখানে তাদের সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখেন ল ক্লার্ক পার্থ নিয়োগী। তাদের জিজ্ঞেস করতে মর্মান্তিক সত্য ঘটনা জানতে পারেন তিনি। কোনওরকম দেরি না করে তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। বিষয়টি জানান আইনজীবী তথা মানবাধিকার কর্মী মলয় মজুমদারকে। পরে তিনি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে দুজনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে লিলু নামের ওই ব্যক্তি সহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

৩ বছর ধরে চলছে ধর্ষণ !

প্রকাশিত সময় : ১১:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২

টানা তিন বছর ধরে চলেছে কিশোরীকে ধর্ষণ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে উত্তেজক নাচও করতে হয়েছে।

তাদের বাড়ি বর্ধমান। সংসারে অভাব থাকায় তারা স্টেশনে গিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করে পেট চালাতেন। তাদের অভিযোগ, সেই সময় লিলু নামে এক ব্যক্তি তাদের বেশি টাকা আয় করার প্রলোভন দিয়েছিল। সংসারের অভাব মেটাতে টাকা আয় করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি তারা। এর জন্য লিলুর সঙ্গে তারা বিহারে চলে যায়

অভিযোগ, তারপরেই লিলু তাদের বিক্রি করে দেয়। সেখানে টানা তিন বছর ধরে তাদের ওপর যৌন নিগ্রহ চলেছে। সেইসঙ্গে উত্তেজক নাচ করতে হয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দীর্ঘদিন ধরেই সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করছিল ১৬ বছরের কিশোরী এবং ২১ বছরের যুবতী। অবশেষে বুধবার সেখান থেকে তারা পালাতে সক্ষম হন। বিহার থেকে সরাসরি ট্রেনে করে চুঁচুড়া আদালতে চলে আসেন দুজনে।

সেখানে তাদের সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখেন ল ক্লার্ক পার্থ নিয়োগী। তাদের জিজ্ঞেস করতে মর্মান্তিক সত্য ঘটনা জানতে পারেন তিনি। কোনওরকম দেরি না করে তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। বিষয়টি জানান আইনজীবী তথা মানবাধিকার কর্মী মলয় মজুমদারকে। পরে তিনি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে দুজনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে লিলু নামের ওই ব্যক্তি সহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।